Serampore lake encroachment
Bengal Liberty, ৩ জুন, শ্রীরামপুর: এবার সরকারি ঝিল বুজিয়ে বেআইনিভাবে জমি বিক্রি করার মারাত্মক অভিযোগ উঠল তৃণমূল কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে। শ্রীরামপুর পুরসভার ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের তারাপুকুর সরকারি হাউসিং সংলগ্ন এলাকায় এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এই দুর্নীতির প্রতিবাদে এবং দোষীদের শাস্তির দাবিতে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে নিয়ে আজ সরব হলো বিজেপি নেতৃত্ব।
নিকাশি বন্ধ, সামান্য বৃষ্টিতেই ভাসছে ওয়ার্ড (Serampore lake encroachment)
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তারাপুকুর হাউসিংয়ের পাশে থাকা একটি সরকারি ঝিল বা জলাশয় সম্পূর্ণ বুজিয়ে ফেলা হয়েছে। অভিযোগ, এরপর সেই ভরাট করা জমি টাকার বিনিময়ে বেআইনিভাবে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই বহু মানুষ সেখানে ঘরবাড়ি তৈরি করে বসবাসও শুরু করেছেন। কিন্তু স্থানীয়দের দাবি, ওই জমিতে যাঁরা বাড়ি করেছেন, তাঁদের কারও কাছেই কোনো বৈধ নথিপত্র বা কাগজ নেই।
সবচেয়ে বড় সমস্যা তৈরি হয়েছে এলাকার নিকাশি ব্যবস্থা নিয়ে। বিশাল এই জলাশয়টি বুজিয়ে ফেলার কারণে এলাকার জল নিকাশির পথ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গিয়েছে। ফলে সামান্য একটু বৃষ্টি হলেই পুরো ২৭ নম্বর ওয়ার্ড জলের তলায় চলে যাচ্ছে। নিকাশির এই বেহাল দশার কারণে দিনের পর দিন চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে স্থানীয় বাসিন্দাদের।

কাঠগড়ায় কাউন্সিলর পিন্টু নাগ, থানার দ্বারস্থ বিজেপি (Serampore lake encroachment)
স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের সরাসরি অভিযোগ, এই গোটা দুর্নীতি ও বেআইনি ঝিল ভরাটের নেপথ্যে রয়েছেন ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর পিন্টু নাগ। তাঁর মদতেই সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করে এই সিন্ডিকেট রাজ চালানো হয়েছে। বিজেপি নেতারা জানিয়েছেন, সরকারি ঝিল পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনা এবং এই বেআইনি চক্র রুখতে তাঁরা শ্রীরামপুর থানার দ্বারস্থ হচ্ছেন। পিন্টু নাগের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হবে যাতে প্রশাসন আইন অনুযায়ী কড়া ব্যবস্থা নেয়।
এদিকে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা এই সমস্ত অভিযোগ নিয়ে ক্যামেরার সামনে বা সংবাদমাধ্যমের কাছে এখনো পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করতে চাননি অভিযুক্ত তৃণমূল কাউন্সিলর।

