PM Modi
Bengal Liberty, ১৪ জুন ২০২৬ : জি-৭ আন্তর্জাতিক সামিটে(PM Modi) অংশগ্রহণের জন্য ফ্রান্সের লিয়ঁ শহরে পৌঁছেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এই সামিটের মঞ্চেই বিগত ১২ বছরে তাঁর সরকারের অধীনে ভারতবর্ষের অভূতপূর্ব সাফল্য ও অগ্রগতির খতিয়ান তুলে ধরলেন তিনি।
বিদেশের মাটিতে ভারতের জয়গান(PM Modi)
প্রযুক্তি, কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্য, বিজ্ঞান, আমদানি-রফতানি, বিদ্যুৎ, সৌরশক্তি এবং সেমিকন্ডাক্টর চিপসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভারতের উল্লেখযোগ্য উন্নতির কথা উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। এর পাশাপাশি, ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারতকে একটি উন্নত ও বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী অর্থনীতিতে পরিণত করার যে রোডম্যাপ রয়েছে, তা নিয়েও জি-৭ সামিটের মঞ্চে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেন তিনি।


প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যের পর সেখানে উপস্থিত ভারতীয় প্রবাসীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও ইতিবাচক সাড়া দেখা যায়। সম্মেলন চলাকালীন ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতি ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁকে পাশে নিয়ে নরেন্দ্র মোদী বলেন: “ভারতের যুবসমাজ এখন গোটা মানবজাতির কল্যাণের কথা ভাবে। আসলে উদ্ভাবন বিষয়টি ভারতের ডিএনএ-তে রয়েছে।
চিকিৎসা, যোগব্যায়াম, গণিত ও বিজ্ঞান— সমস্ত ক্ষেত্রেই হাজার বছর ধরে ভারতের অবদান রয়েছে, যা গোটা মানবজাতিকে সমৃদ্ধ করেছে। বর্তমান ভারত অত্যন্ত দ্রুতগতিতে নতুন নতুন উদ্ভাবন করছে, যা সমগ্র বিশ্বের সুস্থভাবে বেঁচে থাকার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”
এর পাশাপাশি, ভারত যে ‘বিশ্বগুরু’ হওয়ার লক্ষ্যকে সামনে রেখেই আত্মনির্ভরতার পথে এগিয়ে চলেছে, সেই বিষয়টিও প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে স্পষ্টভাবে উঠে আসে।

প্রধানমন্ত্রীর মূল বার্তা(PM Modi)
বৈশ্বিক ক্ষেত্রে ভারত এখন স্রেফ কোনো পণ্যের উপভোক্তা বা বাজার হিসেবে সীমাবদ্ধ নয়। বরং বিশ্বের নানা জটিল সমস্যার সমাধান উঠে আসছে ভারত থেকেই। সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন সমস্যা সমাধানে প্রযুক্তি কীভাবে যুগান্তকারী ভূমিকা নিতে পারে, ভারত এখন সেই আদর্শেই উদ্বুদ্ধ।

গত বারো বছরে দেশ সমস্ত প্রতিকূলতাকে জয় করে বিশ্বমঞ্চে নিজেদের এক অনন্য ও শক্তিশালী স্থান করে নিয়েছে বলে নরেন্দ্র মোদীর বক্তব্যে স্পষ্ট ইঙ্গিত মিলেছে। এখন দেখার, আগামী দিনে আন্তর্জাতিক স্তরে ভারতের এই নেতৃত্বস্থানীয় ভূমিকা বিশ্ব রাজনীতি ও অর্থনীতিকে কোন দিকে নিয়ে যায়।


