Sheikh Hasina Return to Bangladesh
Bengal Liberty, নয়ন বিশ্বাস রকি, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা, বাংলাদেশ: বাংলা মায়ের (Sheikh Hasina Return to Bangladesh) আকাশে আজ কালো মেঘ। ঘরে ঘরে হাহাকার, পেটে ক্ষুধা, চোখে জল। যে দেশের মাটিতে লাখো শহীদের রক্ত মিশে আছে, সেই মাটিতে আজ তীব্র অস্থিরতা, নিরাপত্তাহীনতা আর হাহাকার। মানুষ আজ বড় অসহায়।

উন্নয়নের নামে অনিশ্চয়তা ও জনজীবনের সংকট (Sheikh Hasina Return to Bangladesh)
মানুষ আজ বুঝতে পেরেছে—অনেক দেরিতে হলেও সত্যটা উপলব্ধি করতে পেরেছে। তথাকথিত পরিবর্তনের হাওয়া আজ কাঁটা হয়ে বিঁধছে সাধারণের গায়ে, মুখ থুবড়ে পড়েছে স্বাভাবিক জনজীবন। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির আগুনে পুড়ছে নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্তের সংসার। চাকরি নেই, ব্যবসা-বাণিজ্যে স্থবিরতা, তরুণ প্রজন্মের সামনে কোনো নিশ্চিত ভবিষ্যৎ নেই। চারদিকে শুধু এক বুক অনিশ্চয়তা আর নীরব আতঙ্ক।

সংকটে মূর্ত এক নাম: জননেত্রী শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina Return to Bangladesh)
এই চরম অন্ধকারের মাঝেও বাংলার মানুষ আশার আলো খোঁজে। কোটি মানুষের হৃদয়ে আজ নীরবে-নিভৃতে একটি নামই উচ্চারিত হচ্ছে—শেখ হাসিনা। তিনি কেবল একজন রাজনৈতিক নেত্রী নন, তিনি বাংলার দুঃখী, মেহনতি মানুষের অতি আপনজন।
যিনি শত প্রতিকূলতা আর আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের মুখে দাঁড়িয়ে নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু বানিয়ে বিশ্বকে দেখিয়েছেন “আমরা পারি”।

যিনি বৈশ্বিক মহামারি করোনার সময় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ঘরে ঘরে খাবার ও চিকিৎসা পৌঁছে দিয়েছেন। মেট্রোরেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, শত শত কালভার্ট-ব্রিজ আর মেগা প্রজেক্ট দিয়ে যিনি এই প্রিয় মাতৃভূমিকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিলেন। তিনি রাষ্ট্রক্ষমতাকে সর্বদা জনগণের কল্যাণে উৎসর্গ করেছেন, নিজের বা পরিবারের স্বার্থে নয়।
বঙ্গবন্ধুর রক্ত ও নীলকন্ঠী অবিনশ্বর চেতনা(Sheikh Hasina Return to Bangladesh)
আজ যখন চারদিকে চরম বিশৃঙ্খলা আর অরাজকতা, তখন এ দেশের মানুষ বারবার ফিরে তাকাচ্ছে সেই দূরদর্শী ও অকুতোভয় নারীর দিকে। যিনি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর রক্ত ধারণ করেন। যিনি জীবনের মোড়ে মোড়ে একুশে আগস্টের গ্রেনেড হাসলাসহ বারবার মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেও এ দেশের মাটি ও মানুষকে ছেড়ে যাননি। ঘাতকের বুলেট যাকে দমাতে পারেনি, বাংলার মানুষের প্রতি তার ভালোবাসা তাকে করেছে অবিনশ্বর।

স্থিতিশীলতার স্বার্থে স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের ডাক (Sheikh Hasina Return to Bangladesh)
আজ দেশের প্রতিটি প্রান্ত থেকে একটি কথাই প্রতিধ্বনিত হচ্ছে—বাংলাদেশের হারিয়ে যাওয়া রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে হলে শেখ হাসিনার দ্বিতীয় স্বদেশ প্রত্যাবর্তন আজ সময়ের দাবি।
এটি কোনো একক রাজনৈতিক দলের সংকীর্ণ দাবি নয়; এটি আজ এ দেশের সাধারণ জনগণের প্রাণের দাবি। এ দাবি রিকশাচালক, কৃষক, শ্রমিক আর সাধারণ শিক্ষার্থীদের। যারা রোদে পুড়ে, ঘাম ঝরিয়ে মাঠে ফসল ফলায়, যারা দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখে—তাদের সবার দাবি।

অন্ধকার যুগের প্রত্যাবর্তন বনাম মুক্তিযুদ্ধের চেতনা (Sheikh Hasina Return to Bangladesh)
দুর্ভাগ্যজনকভাবে, আজ মুক্তিযুদ্ধের মহান চেতনা পদদলিত। উগ্রবাদ ও মৌলবাদ নতুন করে মাথা চাড়া দিয়ে উঠছে। দেশটা যেন আবার পিছিয়ে যাচ্ছে অতীতের সেই অন্ধকার যুগে। এই চরম বিপর্যয় ও অবক্ষয় থেকে প্রিয় জন্মভূমিকে মুক্ত করতে পারেন একমাত্র তিনিই—যিনি নিজের রক্ত, ঘাম, মেধা আর গভীর ভালোবাসা দিয়ে এই আধুনিক বাংলাদেশকে বিনির্মাণ করেছিলেন।
বাংলার মানুষ আবেগপ্রবণ হলেও বোকা নয়। তারা আজ হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে—উন্নয়ন মানে শুধু ইট-পাথরের দেয়াল নয়; উন্নয়ন মানে পেটে ভাত, যুবকদের কর্মসংস্থান আর মা-বোনের নিরাপত্তা। আর সেই টেকসই নিরাপত্তা ও শান্তির অপর নামই ছিল “শেখ হাসিনার বাংলাদেশ”।

ফিরে আসুন মাতৃরূপে, দেশের টানে (Sheikh Hasina Return to Bangladesh)
আজ তাই বাংলার অবহেলিত মানুষের অন্তস্থল থেকে আকুল প্রার্থনা—ফিরে আসুন মা। ফিরে আসুন এই দেশের কোটি কোটি ভাগ্যহত মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে। ফিরে আসুন সেই দুঃখী মানুষগুলোর জন্য, যারা আজও আপনার ছবি বুকে নিয়ে বুক বাঁধে, আপনার ফেরার পথ চেয়ে দিন গোনে।
ইতিহাস সাক্ষী থাকবে—বাংলার মানুষ তাদের শেষ ভরসা হারায়নি। তারা এখনও দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে, নীলকন্ঠী অবিনশ্বর নেত্রী আবারও ফিরে আসবেন। বাংলার মাটিতে আবারও ফিরিয়ে দেবেন শান্তি, প্রগতি আর চিরকাঙ্ক্ষিত স্থিতিশীলতা।
জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।
আরও পড়ুন:
আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর উচ্ছেদ করে ‘খাল খনন’— প্রতিহিংসা নাকি উন্নয়ন?


