FIFA World Cup 2026
Bengal Liberty
ফুটবল বিশ্বকাপ মানেই শুধুমাত্র তাবড়-তাবড় দেশগুলির খেলা নয়। ফুটবল বিশ্বকাপ মানে কোনো অচেনা, অজানা দলের রূপকথার গল্প, যা প্রজন্মের পর প্রজন্ম ভবিষ্যতের খেলোয়াড়দের কাছে অনুপ্রেরণার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
দক্ষিণ আফ্রিকার লড়াইয়ের গল্প(FIFA World Cup 2026)
এবারের বিশ্বকাপেও ঠিক একই ছবি ধরা পড়েছে। ২৮ বছর পর গ্রুপ পর্ব পেরিয়ে নকআউটে প্রবেশ করল দক্ষিণ আফ্রিকা। ১৯৯৮-এ বর্ণবাদের যুগ কাটিয়ে প্রথমবারের জন্য বিশ্বকাপে সুযোগ পায় দক্ষিণ আফ্রিকা। তারপর ২০০২-এ প্রথম জয়। ২০১০ বিশ্বকাপের আয়োজক দেশ হিসেবে জায়গা পেলেও গোল পার্থক্যের কারণে বিশ্বকাপ অভিযান শেষ হয় আফ্রিকানদের।


কিন্তু ফের একবার লড়াই করে ১৬ বছর পর বিশ্বকাপে এসেই রাজকীয় প্রত্যাবর্তন। উদ্বোধনী ম্যাচে মেক্সিকোর কাছে ২-০ গোলে পরাজয়ের, জোড়া লাল কার্ডের পরেও চেকিয়ার বিপক্ষে ১-১ ড্র। আর তারপরেই এশিয়ান টাইগার্স দক্ষিণ কোরিয়াকে ১-০ গোলে পরাজিত করে ইতিহাস সৃষ্টি করল হুগো হেনরি ব্রুসের দল।
কানাডার প্রত্যাবর্তন(FIFA World Cup 2026)
দক্ষিণ আফ্রিকার মতোই কানাডার গল্পটাও প্রায় একই। ১৯৮৬-তে মেক্সিকো বিশ্বকাপে অভিষেক হওয়ার পর ৩৬ বছর পর কাতার বিশ্বকাপে প্রত্যাবর্তন হয় কানাডার। সেই বিশ্বকাপে পয়েন্ট না পেলেও, আয়োজক দেশ হিসেবে গ্রুপ-বি-তে বসনিয়ার সঙ্গে ১-১ ড্র, কাতারের বিরুদ্ধে হাফ ডজন অর্থাৎ ৬-০ গোলে স্মরণীয় জয় এবং সুইজারল্যান্ডের কাছে লড়াই করে ২-১ গোলে পরাজিত হয়েও দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধেই ২৯ জুন নকআউট পর্বের প্রথম ম্যাচ খেলবে ডেভিসরা।

রূপকথার গল্প নতুন নয়(FIFA World Cup 2026)
রূপকথার গল্প নতুন নয়, অতীতেও ভুরি ভুরি উদাহরণ রয়েছে। ২০০২ বিশ্বকাপে দক্ষিণ কোরিয়ার সেমিফাইনালে প্রবেশ হোক কিংবা কাতার বিশ্বকাপেই মরক্কোর সেমিফাইনালে ওঠা।

এই বিশ্বকাপেও কেপ ভার্দের নকআউটের জন্য কোয়ালিফাই করার অনেকটাই সুযোগ আছে। এবার দেখার, দক্ষিণ আফ্রিকা ও কানাডা ছাড়া আর কোন অনামি ফুটবল দেশ সবাইকে চমকে দিয়ে পরের রাউন্ডে প্রবেশ করতে পারে।


