Bengal Liberty: দেশজুড়ে ই২০ (E20) বা ২০ শতাংশ ইথানল মিশ্রিত পেট্রল ব্যবহারের নীতি বজায় রেখেই এগোচ্ছে কেন্দ্র। সম্প্রতি সংসদে সরকারের পক্ষ থেকে সাফ জানানো হয়েছে, বিশুদ্ধ বা ইথানল-মুক্ত পেট্রলে ফিরে যাওয়ার কোনো পরিকল্পনা নেই। পাশাপাশি, ইথানলের মিশ্রণ ২০ শতাংশের বেশি বাড়ানোর বিষয়েও এই মুহূর্তে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি বলে জানানো হয়েছে।
সংসদে কেন্দ্রের জবাব (E20 Clean Fuel Parliament)
পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী সুরেশ গোপী সংসদে এক লিখিত জবাবে জানিয়েছেন, সরকার নিম্নমানের প্রযুক্তিতে ফিরে না গিয়ে উন্নত প্রযুক্তির দিকে এগিয়ে যাওয়ার নীতি নিয়েছে। নির্ধারিত সময়ের পাঁচ বছর আগেই ভারত ২০ শতাংশ ইথানল মিশ্রণের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করেছে।
ইঞ্জিনের ক্ষতি ও মাইলেজ নিয়ে জল্পনা খারিজ (E20 Clean Fuel Parliament)
সোশ্যাল মিডিয়ায় ই২০ পেট্রল নিয়ে ইঞ্জিনের ক্ষতি ও মাইলেজ কমার নানা দাবি উঠলেও সরকার তা উড়িয়ে দিয়েছে। নীতি আয়োগের ল্যাব টেস্ট এবং ফিল্ড ভ্যালিডেশনের তথ্য তুলে ধরে জানানো হয়েছে, এর ফলে ইঞ্জিনের কোনো অস্বাভাবিক ক্ষতি হয় না। দেশের লক্ষাধিক গাড়ি ও দুই চাকার বাহন নিরাপদে এই জ্বালানি ব্যবহার করছে। তবে ই১০-এর জন্য তৈরি গাড়িতে ই২০ ব্যবহার করলে ৩ থেকে ৫ শতাংশ মাইলেজ সামান্য কমতে পারে, তবে এর উচ্চ ওকোটেন নম্বর গাড়ির পিক-আপ ও পারফরম্যান্স বাড়ায়।
আরও খবর

অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত লাভ (E20 Clean Fuel Parliament)
এই কর্মসূচির জেরে দেশের প্রায় ২ লক্ষ কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হয়েছে এবং ৩১ লক্ষ মেট্রিক টন crude oil আমদানি কমেছে। পাশাপাশি, প্রায় ৯৫২ লক্ষ মেট্রিক টন কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গমন হ্রাস পাওয়ার পাশাপাশি দেশের কৃষকরা ১.৬৬ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি অর্থ পেয়েছেন।

অভিযোগ প্রতিকার ব্যবস্থা (E20 Clean Fuel Parliament)
ই২০ জ্বালানি সংক্রান্ত যেকোনো সমস্যা বা অভিযোগ সমাধানের জন্য সরকারি তেল বিপণন সংস্থাগুলি টোল-ফ্রি হেল্পলাইন, মোবাইল অ্যাপ এবং পেট্রল পাম্পগুলিতে নির্দিষ্ট ব্যবস্থা রেখেছে বলে জানিয়েছে কেন্দ্র।


