Delhi Metro
Bengal Liberty
কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পর দিল্লির পরিস্থিতিতে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। দিল্লি মেট্রো রেল কর্পোরেশনের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, রাজীব চক, মান্ডি হাউস এবং সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট সহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মেট্রো স্টেশনের প্রবেশদ্বার পুনরায় খুলে দেওয়া হয়েছে (Delhi Metro)। যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনকে ঘিরে নিরাপত্তার কারণে এই স্টেশনগুলি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছিল।

এর আগে ডিএমআরসি ঘোষণা করেছিল, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিরাপত্তাজনিত কারণে মোট ১৮টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ থাকবে। তালিকায় ছিল লোক কল্যাণ মার্গ, রাজীব চক, পটেল চক, রামকৃষ্ণ আশ্রম মার্গ, বরাখম্বা রোড, সুপ্রিম কোর্ট, সেবা তীর্থ, জনপথ, মান্ডি হাউস, সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট, আইটিও, দিল্লি গেট, ইন্দ্রপ্রস্থ, খান মার্কেট, জোর বাগ, শিবাজি স্টেডিয়াম, ঝান্ডেওয়ালান এবং নিউ দিল্লি। আন্দোলনের জেরে স্টেশনগুলিতে পরিষেবা আংশিকভাবে প্রভাবিত হয়েছিল।

ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা Delhi Metro
অপরদিকে, কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে ককরোচ জনতা পার্টির তৃতীয় দফার বৈঠকের কয়েক ঘণ্টা আগেই নিজের এক্স হ্যান্ডেলে পদত্যাগের ঘোষণা করেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। গত এক মাসেরও বেশি সময় ধরে যন্তর মন্তরে আন্দোলনরত বিক্ষোভকারীদের অন্যতম প্রধান দাবি ছিল তাঁর পদত্যাগ। সমাজ মাধ্যমে পোস্ট করে ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, দেশের যুবসমাজের আশা-আকাঙ্ক্ষা ও ন্যায্য প্রত্যাশার প্রতি তাঁর গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীকে দেশসেবার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ। তিনি জানিয়েছেন, দেশের যুবশক্তিকে বিভ্রান্তির পথে যেতে দেওয়া হবে না – এই অঙ্গীকার নিয়েই তিনি কাজ করেছেন।

তিনি আরও জানান, যন্তর মন্তর ও দেশের বিভিন্ন প্রান্তে তৈরি হওয়া বর্তমান পরিস্থিতির সুযোগ যাতে দেশবিরোধী শক্তি নিতে না পারে, দেশের ঐক্য অটুট থাকে এবং কোনও শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ আইনি জটিলতায় না জড়ায়, সেই লক্ষ্যেই তিনি প্রধানমন্ত্রীর কাছে নিজের পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। তাঁর কথায়, দেশের ছাত্রছাত্রীরা যাতে নির্বিঘ্নে পড়াশোনা ও ভবিষ্যৎ গঠনে মনোনিবেশ করতে পারে, সেটাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

