Blood Smuggling
Bengal Liberty: রক্তদান শিবির থেকে সংগ্রহ করা বিপুল পরিমাণ রক্ত ও প্লাজমা বেআইনিভাবে ভিনরাজ্যে পাচার করার অভিযোগে রাজ্যের একাধিক বেসরকারি ব্লাড ব্যাঙ্ক ও হাসপাতালে অভিযান চালাল রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর। হাওড়া, বর্ধমান, অণ্ডাল ও কলকাতা সহ বিভিন্ন জেলার ব্লাড ব্যাঙ্কে এই অভিযান চালানো হয়।
অভিযোগ কী? (Blood Smuggling)
নিয়ম অনুযায়ী, এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে রক্ত বা প্লাজমা পাঠাতে হলে ‘স্টেট ব্লাড ট্রান্সফিউশন কাউন্সিল’ এবং ‘ন্যাশনাল ব্লাড ট্রান্সফিউশন কাউন্সিল’-এর লিখিত অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক। কিন্তু অভিযোগ উঠেছে যে, মুনাফার লোভে বিভিন্ন বেসরকারি ব্লাড ব্যাঙ্ক এই সমস্ত নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে বিহার, উত্তরপ্রদেশ, ঝাড়খণ্ডের মতো ভিনরাজ্যে রক্ত ও প্লাজমা বিক্রি করছিল।

কোথায় কোথায় অভিযান? (Blood Smuggling)
স্বাস্থ্য ভবনের নির্দেশে ডেপুটি সিএমওএইচ-দের নেতৃত্বে গড়া তদন্তকারী দল হাওড়ার পঞ্চাননতলার ব্লাড ব্যাঙ্ক, বর্ধমানের বামচাঁদাইপুরের একটি ব্লাড ব্যাঙ্ক, অণ্ডালের পাশাপাশি কলকাতার বিভিন্ন ব্লাড ব্যাঙ্কে হানা দেয়। হাওড়ার একটি ব্লাড ব্যাঙ্ক থেকেই প্রায় ১০ হাজার ইউনিট রক্ত ও প্লাজমা পাচার হয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে। ব্লাড ব্যাঙ্কগুলির স্টক রেজিস্টার, লাইসেন্স, রক্ত সংগ্রহের ফাইল ও নথিপত্র খতিয়ে দেখে বেশ কিছু নথি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

প্রশাসনের প্রতিক্রিয়া (Blood Smuggling)
রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন যে, গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং কোনো দুর্নীতি প্রমাণিত হলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অন্যদিকে, পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী উমেশ রাই এই ঘটনাকে অত্যন্ত গুরুতর বলে উল্লেখ করে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপের কথা জানিয়েছেন।
আরও পড়ুনঃ
Sanchita Kumar Resignation: তথ্য কমিশন থেকে ইস্তফা রাজীব কুমারের স্ত্রীর

