Pakistan Protests
Bengal Liberty Desk, ৩ মার্চ: ইজরায়েল ও আমেরিকার যৌথ হামলার পর দক্ষিণ এশিয়ার রাজনৈতিক পরিস্থিতি নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই নিহত হওয়ার খবরে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে বিভিন্ন দেশে, যার জেরে বিশেষ করে পাকিস্তানের একাধিক এলাকায় শুরু হয়েছে তীব্র বিক্ষোভ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে রাজধানী ইসলামাবাদ সহ কয়েকটি অঞ্চলে তিন দিনের কার্ফু জারি করেছে প্রশাসন এবং সেনা নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সংঘর্ষে বহু হতাহতের খবর (Pakistan Protests)

গত, রবিবার বিক্ষোভ চলাকালীন বিক্ষোভকারী ও নিরাপত্তাবাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ২৪ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। আহত হয়েছেন বহু মানুষ। সরকারি সূত্রে জানা গেছে, গিলগিট, শিগার এবং স্কার্দু জেলায় আগেই কার্ফু জারি করা হয়েছিল। ওই এলাকাগুলিতে সংঘর্ষের ঘটনায় এক আধিকারিক এবং অন্তত ১২ জন বিক্ষোভকারীর মৃত্যু হয়েছে বলে প্রশাসন জানিয়েছে।
আন্তর্জাতিক দফতরে হামলা, ক্ষতিগ্রস্ত একাধিক প্রতিষ্ঠান (Pakistan Protests)
বিক্ষোভের জেরে পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বিক্ষোভকারীরা রাষ্ট্রপুঞ্জের উন্নয়ন কর্মসূচির দফতর এবং ভারত-পাকিস্তান সামরিক পর্যবেক্ষক মিশনের অফিসে হামলা চালায়। পাশাপাশি একটি বিদ্যালয় ও সেবামূলক প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং একটি থানায় অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটেছে বলে জানা গিয়েছে।
আমেরিকার দূতাবাসে বাড়তি নিরাপত্তা (Pakistan Protests)

বিক্ষোভকারীরা যাতে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসে ঢুকতে না পারে, সেই কারণে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। বিশেষ করে করাচি ও লাহোরে আমেরিকান দূতাবাসে ভিসা পরিষেবা ও অন্যান্য সাধারণ কাজ সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হয়েছে। একইভাবে পেশোয়ার-এও দূতাবাসের কার্যক্রম আংশিক বন্ধ রাখা হয়েছে, যদিও জরুরি পরিষেবা চালু থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুন (Pakistan Protests)-
Iran Supreme Leader killed 2026: হামলায় নিহত খামেনেই, আহত হয়ে মৃত্যু স্ত্রীর, মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত ছড়িয়ে বাড়ছে উত্তেজনা
Arafi Killed in Airstrike : খামেনেইয়ের পর আরাফি! ইরানের নেতৃত্বে টানা টার্গেটেড আঘাত? কয়েক ঘণ্টার মাথায় আরাফির নিহতের গুঞ্জনে কাঁপছে তেহরান
প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির জেরে অশান্ত এলাকাগুলিতে আগামী বুধবার পর্যন্ত কার্ফুর সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে। পুলিশ নাগরিকদের বাড়িতে থাকার পরামর্শ দিয়েছে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত কঠোর নজরদারি চালানো হবে বলে জানিয়েছে সরকার (Pakistan Protests)।
