Arafi Killed in Airstrike
Bengal Liberty, ১ মার্চ :
শুরুতেই শেষ! ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের পর এবার ইজরায়েল ও আমেরিকার টার্গেটে অন্তর্বর্তী সর্বোচ্চ নেতা আলিরেজা আরাফি (Arafi Killed in Airstrike)। দায়িত্ব নিতে না নিতেই একটি বিমান হামলায় নিহত হয়েছেন ইরানের অন্তর্বর্তী সর্বোচ্চ নেতা আলিরেজা আরাফি! সোশ্যাল মিডিয়া এবং কয়েকটি ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমে এই খবরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে গুঞ্জন। ইরানের অন্তর্বর্তী সর্বোচ্চ নেতা আলিরেজা আরাফি নাকি দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিমান হামলায় নিহত হয়েছেন। খবরটি মুহূর্তে ছড়িয়ে পড়লেও এখনও পর্যন্ত ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম বা বড় আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থাগুলোর পক্ষ থেকে এর কোনও নিশ্চিত প্রমাণ সামনে আসেনি।

খামেনেইয়ের পর আরাফি (Arafi Killed in Airstrike)
এর আগে আয়াতুল্লাহ আলি খামেনেইয়ের হত্যাকাণ্ড নিয়ে প্রথমদিকে যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছিল, যেখানে শুরুতে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ খবরটি নিশ্চিত করেছিল এবং পরে ইরানি কর্মকর্তারাও তা স্বীকার করেন—বর্তমানে আরাফিকে ঘিরে পরিস্থিতিও তেমনই অনিশ্চিত রয়ে গেছে। আবার একেবারেই উড়িয়ে দেওয়াও যাচ্ছে না এই সংবাদ।

গুঞ্জনের কেন্দ্রে আলিরেজা আরাফি (Arafi Killed in Airstrike)
সোশ্যাল মিডিয়া এবং কয়েকটি ইসরায়েলি সূত্রে দাবি উঠেছে, ইরানের অন্তর্বর্তী নেতৃত্বে উঠে আসা আলিরেজা আরাফি নাকি দায়িত্ব নেওয়ার অল্প সময়ের মধ্যেই বিমান হামলায় নিহত হয়েছেন। যদিও এই খবর এখনো নিশ্চিত নয়, তবুও এর রাজনৈতিক তাৎপর্য অস্বীকার করার উপায় নেই। কারণ, আয়াতোল্লা আলি খামেনেই নিহত হওয়ার পর ইরান দ্রুত একটি শাসন কমিটি গঠন করে, যেখানে খামেনেই-ঘনিষ্ঠ আরাফিকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা দেওয়া হয়। নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত দেশের দায়িত্ব এই কমিটির হাতেই থাকার কথা। ফলে আরাফিকে ঘিরে স্বাভাবিকভাবেই ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের জল্পনা শুরু হয়েছিল। কিন্তু সেই সম্ভাবনার মাঝেই হঠাৎ তাঁর মৃত্যুর দাবি সামনে আসায় ভুয়ো খবর বলে উড়িয়ে দিতে পারছেন না কেউই।

প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি, আর তার মাঝেই নতুন ধাক্কা (Arafi Killed in Airstrike)
খামেনেই নিহত হওয়ার পর ইরানের শীর্ষ নেতৃত্ব স্পষ্ট বার্তা দিয়েছিল, তারা পিছু হটার পক্ষপাতী নয়। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান শোকবার্তায় সরাসরি প্রতিশোধের ইঙ্গিত দিয়ে বলেন, যারা এই “ঐতিহাসিক অপরাধ ঘটিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া ইরানের কর্তব্য এবং বৈধ অধিকার।” এই কড়া বার্তার পরই আবার ইরানের পরবর্তী নেতৃত্বকে ঘিরে মৃত্যু-গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়া অনেকের কাছেই কাকতালীয় মনে হচ্ছে না।
Liberation of Women: খামেনেইয়ের মৃত্যুর পর ইরানে নারী স্বাধীনতা@bengalliberty @realDonaldTrump @netanyahu #bengalliberty #DonaldTrump #BenjaminNetanyahu #Iran #IranWar #AyatollahKhamenei #IranRevolution2026 #iranwomenliberation #womenliberation #UnitedStates #Israel pic.twitter.com/iN3n0hLTAe
— Bengal Liberty (@bengalliberty1) March 2, 2026
স্বভাবতই প্রশ্ন উঠছে, আমেরিকা ও ইজরায়েলের লক্ষ্য কি শুধুই ইরানের সামরিক শক্তিকে দুর্বল করা, নাকি তার রাজনৈতিক ও ধর্মীয় নেতৃত্বের মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়া?
