IPS Transfer
Bengal Liberty, ১৯ মার্চ:
ভোটের আগে প্রশাসনিক কড়াকড়ি আরও একধাপ বাড়াল নির্বাচন কমিশন (IPS Transfer)। বুধবার রাতে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের অন্দরে বড়সড় রদবদলের নির্দেশ জারি করেছে নির্বাচন কমিশন। এক ধাক্কায় ১৫ জন আইপিএস আধিকারিককে (IPS Transfer) তামিলনাড়ু ও কেরলে নির্বাচনী পর্যবেক্ষক হিসেবে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। ইতিমধ্যেই তাঁদের দ্রুত নতুন দায়িত্বে যোগ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কারা রয়েছেন তালিকায়? (IPS Transfer)
কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, যাঁদের ভিন রাজ্যে পাঠানো হচ্ছে তাঁদের মধ্যে রয়েছেন- অলোক রাজোরিয়া, আমনদীপ, অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়, ভাস্কর মুখোপাধ্যায়, আকাশ মাঘারিয়া, সি সুধাকর, ধৃতিমান সরকার, ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়, মুরলীধর শর্মা, মুকেশ ওয়াকার রাজা, প্রবীণকুমার ত্রিপাঠী, প্রিয়ব্রত রায়, সন্দীপ কাররা এবং রশিদ মুনির খান। এই সকল আধিকারিককে অবিলম্বে দায়িত্ব গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রশিক্ষণের তালিকায় নাম ছিল না (IPS Transfer)
সাধারণত কোনও আইপিএস আধিকারিককে অন্য রাজ্যে নির্বাচনী কাজে পাঠানোর আগে কমিশনের নির্দিষ্ট প্রশিক্ষণ প্রক্রিয়ার মধ্যে রাখা হয়। তবে এই ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, ওই ১৫ জনের কারও নাম প্রশিক্ষণের তালিকায় ছিল না। ফলে স্পষ্টই বোঝা যাচ্ছ, প্রাথমিকভাবে তাঁদের ভিন রাজ্যে পাঠানোর পরিকল্পনা ছিল না কমিশনের। বরং নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

কেন এই ব্যতিক্রমী সিদ্ধান্ত? (IPS Transfer)
এই প্রসঙ্গে কমিশন সূত্রে জানানো হয়েছে, নির্বাচনী দায়িত্ব পালনের জন্য প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক নয়। প্রয়োজন মনে করলে কমিশন সরাসরি কোনও আধিকারিককে অন্য রাজ্যে পাঠাতে পারে। অর্থাৎ, পরিস্থিতি অনুযায়ী দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা কমিশনের হাতে রয়েছে।

উঠছে প্রশ্ন, বাড়ছে বিতর্ক (IPS Transfer)
কমিশনের এই পদক্ষেপ ঘিরে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। অনেকের মতে, যাঁরা আগে থেকেই প্রশিক্ষণ পেয়েছেন, তাঁদের বাদ রেখে প্রশিক্ষণহীন আধিকারিকদের পাঠানো নিয়ে স্বচ্ছতার অভাব রয়েছে।
West Bengal Election: পুলিশ কর্তাদের সাথে মিটিংয়ে বসলেন মনোজ আগরওয়াল | Election 2026 | Bengal Liberty@CEOWestBengal @ECISVEEP #ElectionCommission #WestBengalElection #election2026 #ElectionNews #BengalLiberty pic.twitter.com/KUwsMVr8zr
— Bengal Liberty (@bengalliberty1) March 18, 2026
তবে বিশেষজ্ঞদের একাংশের দাবি, নির্বাচনের সময় আইনশৃঙ্খলার সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নির্বাচন কমিশনের হাতেই থাকে। ফলে প্রয়োজনে তারা যে কোনও সময় এ ধরনের প্রশাসনিক বদল আনতেই পারে।
