CJP Protest
Bengal Liberty : NEET প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে সংসদে আলোচনা করতে কেন্দ্র আগ্রহ প্রকাশ করলেও অচলাবস্থা কাটল না। শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে অনড় থাকল বিরোধীরা (CJP Protest)। বৃহস্পতিবারও লোকসভা ও সংসদ চত্বরে বিক্ষোভ বহাল থাকে। স্লোগান দিতে দিতে ওয়েলে নেমে পড়েন বহু বিরোধী সাংসদ। হট্টগোলের জেরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। শেষ পর্যন্ত বারবার বাধার মুখে অধিবেশন মুলতবি করতে বাধ্য হন স্পিকার (CJP Protest)।

ইস্তফার দাবিতে অনড় বিরোধীরা (CJP Protest)
বুধবার রাতেই কেন্দ্র জানিয়ে দেয়, NEET প্রশ্নফাঁস-সহ যাবতীয় বিষয় নিয়ে সংসদে আলোচনায় তাদের কোনও আপত্তি নেই। কতক্ষণ আলোচনা হবে এবং কবে হবে, সেই সিদ্ধান্তও বিরোধীরাই নিতে পারে বলে জানায় সরকার। পাশাপাশি জানানো হয়, সব প্রশ্নের জবাব দিতে প্রস্তুত কেন্দ্র। তবে বিরোধীদের স্পষ্ট অবস্থান, শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ না করলে কোনও আলোচনা শুরু হতে পারে না। সেই অবস্থান থেকেই বৃহস্পতিবারও সংসদে বিক্ষোভ অব্যাহত থাকে। অধিবেশন শুরু হতেই বিরোধী সাংসদরা স্লোগান দিতে দিতে ওয়েলে নেমে পড়েন। স্পিকার ওম বিড়লা আলোচনা করানোর আশ্বাস দিলেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি। শেষ পর্যন্ত হট্টগোলের জেরে অধিবেশন মুলতবি করা হয়।

সংসদের বাইরে মুখোমুখি শাসক-বিরোধী সাংসদ (CJP Protest)
বৃহস্পতিবার সকালেই সংসদের মকর দ্বারের সামনে বিক্ষোভে সামিল হন বিরোধী সাংসদরা। কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদব-সহ একাধিক বিরোধী নেতা শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা এবং পড়ুয়াদের উপর নির্যাতনের অভিযোগে অভিযুক্ত পুলিশ আধিকারিকদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের দাবিতে স্লোগান তোলেন। এর পাল্টা বিক্ষোভে নামে এনডিএ শিবিরের সাংসদরাও। রাহুল গান্ধীর প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ এবং ছাত্রদের আন্দোলনকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করার অভিযোগ তুলে পাল্টা স্লোগান দেন তাঁরা। ফলে সংসদের মকর দ্বারের সামনেই শাসক ও বিরোধী শিবিরের সাংসদদের মধ্যে কার্যত সম্মুখসমরের পরিস্থিতি তৈরি হয়।

আরও পড়ুন :
PM Narendra Modi : প্রশ্ন ফাঁসে আর রেয়াত নয়! পড়ুয়াদের কী আশ্বাস দিলেন মোদি ?

