Kalyan Banerjee
Bengal Liberty
লোকসভা থেকে সাসপেন্ড হওয়ার পরও সংসদ ভবন চত্বরে একাই বিক্ষোভে সামিল হলেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। গলায় প্ল্যাকার্ড ঝুলিয়ে কখনও সংসদের সিঁড়িতে বসে, আবার কখনও দাঁড়িয়ে স্লোগান দিতে দেখা যায় তাঁকে। তাঁর প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল, “বিজেপিকে সাথে সংসদ মে, ২০ গদ্দার মওজুদ হ্যায়”।

বিক্ষোভ চলাকালীন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, বিজেপি তাঁকে ভয় পায়। তিনি বলেন, “একা এই কল্যাণ ব্যানার্জিকেই বিজেপি ভয় পায়। একলা কল্যাণ ব্যানার্জি-ই এই বিজেপি লোকেদের জন্য যথেষ্ট (ইজ এনাফ)। আমাকে সংসদের বাইরে রাখলেই ওরা কিছুটা স্বস্তি পাবে। বিজেপির বিরুদ্ধে যেমন লড়াই চলবে, তেমনই গদ্দার ও বেইমানদের বিরুদ্ধেও লড়াই জারি থাকবে। পশ্চিমবঙ্গের ২০ জন বেইমানকে গোটা দেশ দেখছে।”

‘গদ্দার’ ও বিজেপিকে একযোগে নিশানা

সূত্রের দাবি, বিক্ষোভ চলাকালীন বিরোধী ও শাসকদলের একাধিক নেতার সঙ্গে তাঁর তীব্র বাকবিতণ্ডাও হয়। জানা গেছে, মহিলা সাংসদদের উদ্দেশে অশালীন মন্তব্য ও অসংসদীয় আচরণের অভিযোগে চলতি বর্ষাকালীন অধিবেশনের বাকি সময়ের জন্য কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে সাসপেন্ড করা হয়েছে। তৃণমূল থেকে বেরিয়ে সম্প্রতি এনসিপিআই-তে যোগ দেওয়া কয়েকজন সাংসদ লোকসভার স্পিকারের কাছে তাঁর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ জানান। এরপর সংসদ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল লোকসভায় তাঁর সাসপেনশনের প্রস্তাব পেশ করলে তা গৃহীত হয়।

তবে সাসপেন্ড হওয়ার পরও নিজের অবস্থানে অনড় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “যে বেইমানি করেছে, তাকে তো বেইমানই বলব। যাদের মাটি থেকে তুলে এনে দল টিকিট দিয়েছিল, আজ তারাই বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। সাসপেনশন দেখিয়ে আমাকে থামানো যাবে না। বিজেপির বিরুদ্ধে এবং এই বেইমানদের বিরুদ্ধে আমার লড়াই চলবে।”

