Padma Hilsa import
Padma Hilsa import

Padma Hilsa import: বর্ষা থাকলেও পাতে নেই পদ্মার ইলিশ! ওপার বাংলার সবুজ সঙ্কেতের অপেক্ষায় বাংলা

Bengal Liberty: ভরা বর্ষার মরশুম চললেও বঙ্গবাসীর পাতে এখনও অধরা পদ্মার ইলিশ। গত বছর পুজোর আগে নামমাত্র ৫০০ মেট্রিক টন ইলিশ এলেও, চলতি বছর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বাংলাদেশের তরফে এখনও কোনও ইলিশ-বার্তা আসেনি। ফলে ওপার বাংলার রুপোলি শস্য পাওয়া নিয়ে তৈরি হয়েছে গভীর ধোঁয়াশা। এই জট কাটাতেই এবার আসরে নামছেন এপার বাংলার আমদানিকারকরা।

Advertisement
Advertisement

ঢাকায় হচ্ছে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক (Padma Hilsa import)

বাংলাদেশের ইলিশের জোগান নিশ্চিত করতে রাজ্য ফিশ ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আনোয়ার মাকসুদ এবং সংগঠনের কর্তা অতুলচন্দ্র দাসের নেতৃত্বে একটি বিশেষ প্রতিনিধিদল ঢাকা যাচ্ছে। সেখানে ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে দেখা করার পর সরাসরি বাংলাদেশের বাণিজ্যসচিবের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন তাঁরা। আমদানিকারকদের আশা, এই দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পরেই পরিষ্কার হয়ে যাবে, এ বছর বঙ্গবাসীর পাতে পদ্মার ইলিশ মিলবে কি না। আগামী সোমবারের মধ্যেই এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হতে পারে বলে খবর।

Advertisement
Advertisement

কী বলছে স্থানীয় মৎস্যবাজার ও ইতিহাস? (Padma Hilsa import)

উল্লেখ্য, তিস্তার জলবণ্টন চুক্তি নিয়ে টানাপোড়েনের জেরে ২০১২ সালে ভারতে ইলিশ রপ্তানি বন্ধ করে দিয়েছিল ঢাকা। এরপর ২০১৯ সাল থেকে শুধুমাত্র দুর্গাপুজো উপলক্ষে বন্ধুত্বের নিদর্শন হিসেবে সীমিত পরিমাণে ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দেওয়া শুরু হয়। গত বছর বাংলাদেশ সরকার ৩৭টি সংস্থাকে ১,২০০ টন ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দিলেও শেষ পর্যন্ত এপার বাংলায় আসে মাত্র ৫০০ মেট্রিক টন।

এদিকে, দিঘা ও নামখানায় বর্তমানে স্থানীয় ইলিশের জোগান কিছুটা ভালো থাকলেও কাঙ্ক্ষিত বড় সাইজের—অর্থাৎ এক কেজি বা তার বেশি ওজনের—ইলিশের দেখা মিলছে না বললেই চলে। স্থানীয় বাজারে বড় পদ্মার ইলিশের চাহিদা চিরকালীন। সেই ইলিশের দাম কেজিপ্রতি আড়াই হাজার টাকা পর্যন্ত পৌঁছে যায়। খারাপ আবহাওয়ার জেরে সমুদ্রে নিষেধাজ্ঞা থাকায় মৎস্যজীবী ও ব্যবসায়ীদের চোখ এখন মূলত ঢাকার বৈঠকের ফলাফলের দিকেই।

আরও পড়ুনঃ

https://bengalliberty.com/2026/08/14/dadagiri-political-special/

Bengal liberty
Bengal liberty

Bengal Liberty is a platform dedicated to guerrilla, unfiltered, and independent journalism. Through YouTube, its official website, and various social media channels, Bengal Liberty seeks to present citizen journalism to the public with integrity and transparency. Editor: Bittu Roy Chowdhury