Bengal Liberty
রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবায় বড়সড় পরিবর্তনের(Ayushman Bharat)পথে নতুন সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। রবিবার ‘আয়ুষ্মান দিবস’ উপলক্ষে আয়ুষ্মান ভারত প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনা এবং মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বিমা যোজনার আনুষ্ঠানিক সূচনা হল। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে এই উদ্যোগকে রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবায় সাধারণ মানুষের জন্য নতুন অধ্যায় হিসেবে দেখছে প্রশাসন।
মুখ্যসচিব মনোজ কুমার আগরওয়াল জানিয়েছেন, এত দিন রাজ্যের প্রায় ৭.৫ কোটি মানুষ স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের আওতায় ছিলেন। এবার প্রায় ৬ কোটি মানুষ আয়ুষ্মান ভারতের আওতায় যুক্ত হয়েছেন। বাকিদের মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বিমা যোজনার অন্তর্ভুক্ত করা হবে। অর্থাৎ, স্বাস্থ্য পরিষেবার সুযোগ থেকে যাতে রাজ্যের কোনও মানুষ বঞ্চিত না হন, সেই লক্ষ্যেই একাধিক স্তরে বিমা পরিষেবার পরিধি বাড়ানো হচ্ছে।

হাঁটু ও হিপ রিপ্লেসমেন্টে স্বস্তি পাবে রাজ্যবাসী(Ayushman Bharat)
মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, আয়ুষ্মান কার্ডের মাধ্যমে শুধু রাজ্যে নয়, গোটা দেশের বিভিন্ন জায়গায় ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনামূল্যে চিকিৎসার সুবিধা পাওয়া যাবে। রাজ্যে ১,২৪০টি বেসরকারি এবং ৬২৭টি সরকারি হাসপাতালে এই কার্ডের মাধ্যমে চিকিৎসার সুযোগ মিলবে। পাশাপাশি কম খরচে ওষুধের জন্য ১০০টি অমৃত এবং ৪৬৭টি প্রধানমন্ত্রী জনঔষধি কেন্দ্রের কথাও ঘোষণা করা হয়েছে। বিনামূল্যে চোখের চিকিৎসার জন্য বিশেষ কর্মসূচি নেওয়ার উদ্যোগও রয়েছে।
আরও খবর
সাধারণ মানুষ উপকৃত হবেন(Ayushman Bharat)
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, স্বাস্থ্য বিমার আওতায় চিকিৎসার পরিধিও বাড়ানো হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, আগের ব্যবস্থায় প্রায় ১,৭০০ ধরনের চিকিৎসা পরিষেবা মিলত। নতুন ব্যবস্থায় সেই সংখ্যা বাড়িয়ে প্রায় ১,৯৫০ করা হয়েছে। ফলে হাঁটু ও হিপ রিপ্লেসমেন্টের মতো ব্যয়বহুল চিকিৎসার ক্ষেত্রেও সাধারণ মানুষ উপকৃত হবেন।

বিশেষ করে দারিদ্র্যসীমার নীচে থাকা পরিবারগুলির কাছে এই উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চিকিৎসার বিপুল খরচের কারণে বহু পরিবারকে আর্থিক সংকটে পড়তে হয়। স্বাস্থ্য বিমার মাধ্যমে সেই চাপ অনেকটাই কমবে বলে দাবি প্রশাসনের। ফলে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর এই উদ্যোগ শুধু স্বাস্থ্য পরিষেবার সম্প্রসারণ নয়, সাধারণ মানুষের চিকিৎসা-নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে। নতুন সরকারের এই উদ্যোগে রাজ্যের মানুষের স্বাস্থ্য পরিষেবায় আরও স্বস্তি আসবে বলেই আশা।



