Bengal Liberty
সময়টা একেবারেই ভালো যাচ্ছে না শতাব্দীপ্রাচীন(Mohammedan Sporting Club)ঐতিহ্যবাহী ফুটবল ক্লাব মহামেডান স্পোর্টিংয়ের। প্রথমে বিরাট মাপের ঘোষণা করে খবরের শিরোনামে উঠে এসেছিলেন বিতর্কিত বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। তাঁকে দলের সভাপতি করা হয়েছিল। এরপর ৫ কোটি টাকার তিনটি চেক পরপর বাউন্স হওয়ার পরই দলের তরফে তাঁর সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন করা হয়।

ডুরান্ড কাপেও প্রথম ম্যাচে জয় পেলেও পরের ম্যাচগুলিতে ছন্দপতন হয়েছে। নেই স্পনসর, তার সঙ্গে বিদেশি ফুটবলারদেরও চূড়ান্ত অভাব। এর মধ্যেও কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করছিল সাদা-কালো ব্রিগেড। চলতি কলকাতা ফুটবল লিগে ময়দানের দুই প্রধানকে টেক্কা দিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে রয়েছে মহামেডান স্পোর্টিং। মেহরাজউদ্দিনের কোচিংয়ে অনেক দিন পর আবার পুরনো ছন্দে ফিরেছিল মহামেডান। কিন্তু ফের বড় ধাক্কা। তীব্র টানাপোড়েন ও মনোমালিন্যের পর কোচের পদ থেকে ইস্তফা দিলেন মেহরাজউদ্দিন।
কেন পদত্যাগ মেহরাজউদ্দিনের(Mohammedan Sporting Club)
ফুটবলে কোচের আসা-যাওয়া চলতেই থাকে। বড় হোক কিংবা ছোট দল, এটি কোনও নতুন ঘটনা নয়। কিন্তু যে দল পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে, ১৮ পয়েন্ট সংগ্রহ করে এখনও অপরাজিত, সেই দলের কোচ কেন আচমকা ইস্তফা দিলেন? উঠছে সেই প্রশ্নই।
আরও খবর

চুক্তি নিয়ে জটিলতা(Mohammedan Sporting Club)
সূত্রের খবর, সিএফএল শুরুর আগে মেহরাজউদ্দিনকে যে চুক্তিপত্র দেওয়া হয়েছিল, তাতে বেশ কিছু বিষয় উল্লেখ করা ছিল না। সেগুলি সংযোজন করে চুক্তিটি সংশোধন করে আনতে বলা হয়েছিল। কিন্তু নতুন করে চুক্তি করার কথা তো দূরের, চুক্তি-সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আর কোনও আলোচনাতেই যায়নি কর্তৃপক্ষ। বারবার জানানো সত্ত্বেও বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ মেহরাজউদ্দিনের। শেষ পর্যন্ত মহামেডানের সঙ্গে এক দশকের সম্পর্ক ছিন্ন করলেন মেহরাজউদ্দিন। এবার দলের কোচের ভূমিকায় দেখা যাবে সহকারী কোচ শাহিদ রামনকে।
শীর্ষস্থান ধরে রাখার চ্যালেঞ্জ(Mohammedan Sporting Club)
এমনিতেই দলে কোনও স্পনসর নেই। নানা অভ্যন্তরীণ সমস্যায় জর্জরিত সাদা-কালো শিবির। তার মধ্যেই আচমকা কোচের ইস্তফা। এই পরিস্থিতির পরেও কি চলতি সিএফএলে শীর্ষস্থান ধরে রাখতে পারবে মহামেডান? নাকি ঘাড়ের কাছে নিঃশ্বাস ফেলতে থাকা ইস্টবেঙ্গল তাঁদের টপকে যাবে? সেই দিকেই নজর থাকবে ফুটবলপ্রেমীদের।



