Bengal Liberty : শনিবার দিল্লিতে যন্তর মন্তর অভিযান ঘিরে আটক হওয়ার পর রবিবার সকালে মুক্তি পেলেন ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)-র তিন শীর্ষ নেতা অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রানকা। রবিবার সকালে তাঁদের দিল্লি ক্যান্টনমেন্ট থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। পরে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করানো হলে তাঁদের প্রতিরোধমূলক হেফাজত থেকে মুক্তির নির্দেশ দেওয়া হয়। এর পরেই তাঁদের মুক্তির পথ প্রশস্ত হয়।
দিল্লি পুলিশ সূত্রে খবর, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখার জন্যই ভারতীয় ন্যায় সংহিতার (BNS) ১৩৭ নম্বর ধারা অনুযায়ী তাঁদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। উল্লেখ্য, শনিবার যন্তর মন্তরে দলের প্রস্তাবিত বিক্ষোভে যোগ দিতে দিল্লি আসার সময় বিমানবন্দরেই আটক করা হয় অভিজিৎ, সৌরভ ও আশুতোষকে। বিমান থেকে নামার পর পুলিশকর্মীদের সঙ্গে তাঁদের বচসা হয় বলেও জানা গিয়েছে। এর পর তাঁদের বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয় বলে অভিযোগ ওঠে। কোথায় রাখা হয়েছে, সে বিষয়ে স্পষ্ট তথ্য না পাওয়ায় দলের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়।
শনিবার দিল্লিতে বিরোধী দলের কর্মসূচি ঘিরে একাধিক নেতা ও কর্মী-সমর্থককে আটক করার অভিযোগ উঠেছিল। CJP-র তিন শীর্ষ নেতাকে আটকের ঘটনাও সেই উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দেয়। তবে নেতাদের আটক করেও আন্দোলন থামানো যাবে না বলে আগেই হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন দলের নেতা অজিঙ্ক্য শিণ্ডে। তাঁর বক্তব্য, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।
আরও খবর
এ দিকে, রবিবারও যন্তর মন্তর অভিযানের ডাক দিয়েছে CJP। সেই কর্মসূচি ঘিরে রাজধানীজুড়ে নিরাপত্তা জোরদার করেছে দিল্লি পুলিশ। যন্তর মন্তর বন্ধ রাখা, শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ এবং দিল্লির সীমানায় ব্যারিকেড বসানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে তিন শীর্ষ নেতার মুক্তির পর CJP-র পরবর্তী পদক্ষেপ কী হয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।


