Bengal Liberty : শনিবার থেকেই দফায় দফায় উত্তপ্ত রাজধানী। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে যন্তর মন্তর অভিযানের ডাক দিয়েছিল ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)। এরপর দফায় দফায় আন্দোলনকারীদের আটক করা হলেও রবিবার ফের যন্তর মন্তর অভিযানের ডাক দিয়েছে তারা। আন্দোলন ঠেকাতে দিল্লিতে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে পুলিশ। বন্ধ রাখা হবে যন্তর মন্তর। রাজধানীর বিভিন্ন সীমানায় বসানো হবে ব্যারিকেড। পাশাপাশি, শহরের ৩০টি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ ও পথ পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
শনিবার দিল্লি জুড়ে প্রায় ৭ হাজার মানুষকে আটক করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আটক হয়েছেন CJP-র তিন প্রধান মুখ অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রানকাও। তবে নেতৃত্বকে আটক করেও আন্দোলন থামানো যাবে না বলে জানিয়েছেন CJP-র কর্মীরা।
আন্দোলনের পরবর্তী কর্মসূচির নেতৃত্ব দেওয়ার দায়িত্ব পেয়েছেন অজিঙ্ক্য শিণ্ডে। তাঁর ঘোষণা, রবিবার ফের যন্তর মন্তরে পৌঁছনোর চেষ্টা করবেন আন্দোলনকারীরা। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তে অনড় তাঁরা।
আরও খবর
শিণ্ডের বক্তব্য
অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রানকাওকে আটক করে আন্দোলন বন্ধ করে দেওয়া যাবে বলে সরকার মনে করেছিল। কিন্তু নেতাদের আটক করা হলেও আন্দোলন থেকে পিছিয়ে আসবেন না তাঁরা। শনিবার গভীর রাতেও সমাজমাধ্যমে বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা করেন AISA-র সভাপতি নেহা বোরাও। রবিবার দিল্লির অন্য এলাকাতেও আন্দোলন ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।
অন্যদিকে, CJP-র কর্মসূচি বানচাল করতে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণের যে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তা সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের অবমাননা বলে অভিযোগ উঠেছে। এই মর্মে মামলাও দায়ের হয়েছে। রবিবার ছুটির দিনেই মামলার শুনানির জন্য বিশেষ বেঞ্চ বসবে সুপ্রিম কোর্টে। ফলে একদিকে আন্দোলন ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা, অন্যদিকে আদালতে বিশেষ শুনানি—সব মিলিয়ে রবিবারও সরগরম রাজধানী।


