Bengal Liberty : দিল্লিতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে ধরনায় বসে আটক হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল নেত্রীর আটক হওয়ার ঘটনার পর কলকাতায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে নিশানা করলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
অভিষেকের অভিযোগ
“মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের প্রাণভোমরা।” তাঁর আরও দাবি, নির্বাচন কমিশনের কাজকর্ম নিয়ে ওঠা অভিযোগের তদন্ত হলে বিজেপির একাধিক শীর্ষ নেতৃত্বের নাম সামনে আসতে পারে। তবে এই দাবির সমর্থনে কী নির্দিষ্ট প্রমাণ রয়েছে? তা স্পষ্ট করেননি অভিষেক। ফলে অনুমাননির্ভর অভিযোগ তুলে দেশের প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিশানা করা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে রাজনৈতিক মহলে।
অন্যদিকে, বাংলার রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও অভিষেকের বক্তব্যকে পাল্টা আক্রমণের হাতিয়ার করছে শাসক শিবির। রাজ্যে দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার পর তৃণমূলের বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতি ও আর্থিক অনিয়মের অভিযোগের প্রসঙ্গ তুলে প্রশ্ন উঠছে, নিজের দলের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলির জবাব না দিয়ে কেন জাতীয় স্তরের নেতৃত্বকে নিশানা করছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়? ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে সমালোচকদের প্রশ্ন, নিজের লোকসভা কেন্দ্রের উন্নয়ন ও প্রশাসনিক কাজকর্মের মূল্যায়ন ছেড়ে জাতীয় রাজনীতিতে এ ধরনের গুরুতর অভিযোগ তোলার ভিত্তি কী? তৃণমূলের একাধিক নেতা-মন্ত্রীকে ঘিরে অতীতে ওঠা দুর্নীতি ও আর্থিক তছরুপের অভিযোগও নতুন করে আলোচনায় আসছে।


