Abhishek Banerjee
ক্যামাক স্ট্রিটে বিলবোর্ড কান্ড

বিলবোর্ড-কাণ্ডে অবশেষে থানায় হাজির অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়

গত ২৭ অগস্ট ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দফতরের একটি বিলবোর্ড খোলাকে কেন্দ্র করে গোলমাল বাধে। পুলিশ ও কলকাতা পুরসভার আধিকারিকদের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন অভিষেকের অনুগামীরা। পরিস্থিতি ক্রমে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ধাক্কাধাক্কি ও হাতাহাতির মধ্যে পুলিশ জোর করে ওই ভবনের ছাদে উঠে বিলবোর্ডটি খুলে নেয় বলে অভিযোগ। বিলবোর্ডটিতে তৃণমূলের নাম ও জোড়াফুলের প্রতীক ছিল। অভিযোগ, বিলবোর্ডটি বেআইনিভাবে লাগানো হয়েছিল। পাশাপাশি, সেটি এলাকার নিরাপত্তার পক্ষেও বিপজ্জনক ছিল বলে দাবি করা হয়। পরে সেখানে একই নাম ও প্রতীক-সহ একটি ব্যানার টাঙানো হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শেক্সপিয়র সরণি থানায় মোট তিনটি এফআইআর দায়ের হয়। এর আগে ১ সেপ্টেম্বর এই মামলায় অভিষেককে তলব করা হয়েছিল। সেবার তিনি থানায় হাজিরাও দিয়েছিলেন। তবে তদন্তের স্বার্থে তাঁকে ফের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকেন তদন্তকারীরা।

Abhishek Banerjee
বিলবোর্ড কান্ড

অভিষেককে নোটিস দিতে গত ৭ অক্টোবর তাঁর বাড়িতে গিয়েছিল পুলিশ। কিন্তু সেদিন নোটিস গ্রহণ করার মতো কেউ ছিলেন না বলে সূত্রের খবর। পুলিশকে জানানো হয়, অভিষেক শহরের বাইরে রয়েছেন। ফলে নোটিস না দিয়েই ফিরে আসতে হয় পুলিশকে। শনিবার কলকাতায় ফেরেন তিনি। এরপর রবিবার ফের তাঁর কালীঘাটের বাড়িতে পৌঁছে যায় শেক্সপিয়র সরণি থানার পুলিশ। সোমবার হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হলেও তিনি থানায় যাননি।

সূত্রের খবর, শেক্সপিয়র সরণি থানার তলবের জবাবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, তিনি একজন বর্তমান সাংসদ। সরকারি দায়িত্ব-সহ একাধিক পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি থাকায় পরের দিনই থানায় হাজির হওয়ার নোটিস পেয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার মতো সময় পাননি তিনি। তাঁর দাবি, পর্যাপ্ত আগাম নোটিস ছাড়া এত কম সময়ের মধ্যে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া অযৌক্তিক। ইমেল করে ৪৮ ঘণ্টা সময় চাওয়ার পর পুলিশ তাঁর বাড়িতে গিয়ে নতুন করে নোটিস দেয়। সেই নোটিস মেনেই বুধবার সকালে থানায় হাজির হন তৃণমূল সাংসদ।

Dipsikha Mandal
দীপশিখা মণ্ডল

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করে ২০২৩ সালে সাংবাদিকতা জগতে প্রবেশ। ETV ভারত, এক্সপ্রেস নিউজ ঘুরে এখন বেঙ্গল লিবার্টি-তে। বিনোদন, দেশ দুনিয়ার খবরের প্রতি আগ্রহ রয়েছে। ঝোঁক বেশি রাজ্য এবং জেলার খবরে। ফটোগ্রাফিতেও সময় কাটে। অসময়ের সঙ্গী বই আর সিনেমা। নেশার বস্তু কফি, প্রকৃতি আর কবিতা।