Bengal Liberty : আন্তর্জাতিক কূটনীতির মঞ্চে আফ্রিকার গুরুত্ব ক্রমশ বাড়ছে। এই আবহে আফ্রিকার দেশগুলির সঙ্গে সম্পর্ক আরও মজবুত করতে উদ্যোগী রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। বাণিজ্য, জ্বালানি, প্রতিরক্ষা ও অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে গুরুত্ব দিয়ে আফ্রিকার দেশগুলির সঙ্গে সম্পর্ক আরও বিস্তৃত করাই মস্কোর অন্যতম লক্ষ্য। রাশিয়া-আফ্রিকা শীর্ষ সম্মেলনকে ঘিরে সেই কূটনৈতিক তৎপরতাই নতুন করে সামনে এসেছে।
বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতায় জোর
আফ্রিকার বিপুল প্রাকৃতিক সম্পদ, ক্রমবর্ধমান বাজার এবং অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছে মস্কো। রাশিয়া ও আফ্রিকার দেশগুলির মধ্যে বাণিজ্যিক আদানপ্রদান বাড়ানোর পাশাপাশি কৃষি, খনিজ সম্পদ, জ্বালানি ও পরিকাঠামো ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধিরও সুযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে আফ্রিকার দেশগুলির সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার দিকেও নজর দিচ্ছে রাশিয়া।
প্রতিরক্ষা ও জ্বালানি ক্ষেত্রে সহযোগিতা
আফ্রিকার বেশ কয়েকটি দেশের সঙ্গে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা ও সামরিক সহযোগিতা দীর্ঘদিনের। পাশাপাশি, পারমাণবিক শক্তি, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও জ্বালানি ক্ষেত্রেও সহযোগিতা বাড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে। আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা ও ভূরাজনৈতিক চাপের আবহে আফ্রিকার দেশগুলির সঙ্গে সম্পর্ক সম্প্রসারণ রাশিয়ার কাছে আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
আরও খবর
আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে আফ্রিকার গুরুত্ব
রাষ্ট্রপুঞ্জ-সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মঞ্চে আফ্রিকার দেশগুলির কূটনৈতিক ভূমিকা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। ফলে, আফ্রিকার সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করা শুধু অর্থনৈতিক স্বার্থেই নয়, আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নিজেদের প্রভাব বাড়ানোর কৌশলের অংশ হিসেবেও দেখছে রাশিয়া। অন্যদিকে, আফ্রিকার দেশগুলিও নিজেদের উন্নয়ন, বিনিয়োগ এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্বের সুযোগ বাড়াতে একাধিক দেশের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখতে আগ্রহী।
সব মিলিয়ে, রাশিয়া-আফ্রিকা শীর্ষ সম্মেলনকে কেন্দ্র করে মস্কোর লক্ষ্য স্পষ্ট—আফ্রিকার সঙ্গে সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র তৈরি করে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও গভীর করা। তবে এই উদ্যোগের ফলে বাস্তবে কতটা অর্থনৈতিক সুফল মেলে, এখন সেদিকেই নজর আন্তর্জাতিক মহলের।


