Bengal Liberty : পালাবদলের পর টালিগঞ্জের স্টুডিওপাড়ায় নতুন করে সংগঠন সাজানোর প্রস্তুতি। নতুন সভাপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে শনিবার থেকে শুরু হয়েছে ফেডারেশনের ভোটগ্রহণ। দু’দিন ধরে চলবে এই নির্বাচন প্রক্রিয়া। কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে টেকনিশিয়ান্স স্টুডিও চত্বরে। শনিবার সকাল থেকেই নির্বাচনের পরিস্থিতির উপর নজর রাখতে সেখানে উপস্থিত হন অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী। বাংলা চলচ্চিত্র শিল্পের হারানো ব্যবসা ফিরিয়ে আনা থেকে শুরু করে রাজ্যে শুটিংয়ের পরিসর বাড়ানো-একাধিক পরিকল্পনার কথা জানান তিনি। অন্যদিকে, নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং ভবিষ্যতে ফেডারেশনের নিয়মে পরিবর্তন আনার আশ্বাস দিয়েছেন অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষ।
বাংলা ছবির ব্যবসা ফেরাতে জোর
নির্বাচন ঘিরে এ দিন মিঠুন চক্রবর্তীর বক্তব্যে উঠে আসে টালিগঞ্জের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা। তাঁর কথায়, অতীতে যা ঘটেছে, তা আর হতে দেওয়া হবে না। সংবিধান মেনেই সব কাজ করতে হবে। কেউ নিয়ম ভাঙলে তিনি কঠোর পদক্ষেপ করবেন বলেও হুঁশিয়ারি দেন মিঠুন। তিনি বলেন, “যুদ্ধ হয়ে গিয়েছে। আবার বলছি, সংবিধান মেনে চলি আমরা। আগে যা হয়েছে, সেগুলো আর হবে না। কেউ যদি এসব করে, তা হলে আমার থেকে খারাপ লোক দেখেনি কেউ।”
বাংলা ছবির ব্যবসা আগের তুলনায় অনেকটাই পিছিয়ে পড়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এ বার সেই পরিস্থিতি বদলানোর ব্যাপারে আশাবাদী মিঠুন। তাঁর দাবি, বাংলা ছবির জন্য ৩০ শতাংশ ভর্তুকি দেওয়া হচ্ছে। সকলকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বানও জানান তিনি।
আরও খবর
পাশাপাশি, রাজ্যে আরও বেশি করে শুটিংয়ের ব্যবস্থা করার পরিকল্পনার কথাও জানান অভিনেতা। তাঁর মতে, বাংলায় পাহাড়, সমুদ্র, জঙ্গল-সহ শুটিংয়ের জন্য প্রয়োজনীয় নানা ধরনের প্রাকৃতিক লোকেশন রয়েছে। অথচ শুটিংয়ের জন্য অনেকেই অন্য রাজ্যে চলে যান। এই পরিস্থিতির বদল ঘটিয়ে বাংলায় বাইরের প্রযোজনা সংস্থা ও শিল্পীদের নিয়ে আসতে চান তাঁরা। নির্বাচন যাতে শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়, তা নিয়েও বিশেষ ভাবে সতর্ক মিঠুন। তাঁর কথায়, কোনও ধরনের ঝগড়া বা মারামারি তিনি চান না। পুলিশি নিরাপত্তার মধ্যেই সুষ্ঠুভাবে ভোট শেষ হোক, সেটাই তাঁর কাম্য।


