Bengal Liberty: উত্তরাখণ্ডে ট্রেকিংয়ে গিয়ে বিপত্তি। কেদারতাল ট্রেকে ভয়াবহ তুষারপাতের জেরে নিখোঁজ মোট আটজন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন বাংলার বাঁকুড়ার পাঁচ বাসিন্দা। চারদিন পেরিয়ে গেলেও এখনও তাঁদের কোনও সন্ধান মেলেনি। নিখোঁজদের মধ্যে একজন গাইডও রয়েছেন। স্বাভাবিকভাবেই এই ঘটনায় উদ্বেগে দিন কাটাচ্ছেন নিখোঁজদের পরিবারের সদস্যরা। তাঁদের প্রত্যাশা, প্রিয়জনরা সুস্থ অবস্থায় ফিরে আসুন।
জানা গিয়েছে, উত্তরকাশীর গঙ্গোত্রী বেস ক্যাম্প থেকে ট্রেকিংয়ের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল অভিযাত্রীদের একটি দল। প্রায় সাড়ে চার হাজার মিটার উচ্চতায় পৌঁছনোর পর আচমকাই তুষারঝড়ের কবলে পড়েন তাঁরা। প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে মাঝপথেই আটকে যায় ট্রেকিং। দলের অধিকাংশ সদস্যেরই খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। আটজন নিখোঁজের মধ্যে বাঁকুড়ার পাঁচজন রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে চারজনের বাড়ি শালবনিতে এবং একজনের বাড়ি কেশরা গ্রামে। পরিবারের দাবি, গত ২৬ অক্টোবর শেষবার তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছিল। তারপর থেকে আর কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি।
এদিকে, গতকাল নতুন করে তুষারপাত শুরু হওয়ায় উদ্ধারকাজ ব্যাহত হয়। তবে আবহাওয়ার পরিস্থিতি কিছুটা অনুকূল হতেই মঙ্গলবার সকাল থেকে ফের তল্লাশি অভিযান শুরু হয়েছে। নিখোঁজদের সন্ধানে কাজ চালাচ্ছে এনডিআরএফ। উত্তরাখণ্ড সরকারের তরফেও সবরকম সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
আরও খবর
সমবেদনা জানিয়ে এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি প্রত্যেক নিখোঁজ যুবকের নাম উল্লেখ করে পরিবার গুলির পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন।
অন্যদিকে, বাঁকুড়ার পাঁচ বাসিন্দার নিখোঁজ হওয়ার খবরে কার্যত ভেঙে পড়েছে পরিবারগুলি। শালবনির চারটি পরিবার এবং কেশরা গ্রামের একটি পরিবার উদ্বেগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। শেষবারের মতো প্রিয়জনদের সঙ্গে হওয়া উদ্ধারকারী দলের তল্লাশির দিকেই এখন তাকিয়ে রয়েছেন আটজনের পরিবার-পরিজন।


