Derek O'Brien
"আমরা এটি করে দেখিয়েছি", রামলীলা ময়দানে ভিড় নিয়ে উচ্ছ্বসিত ডেরেক

“আমরা এটি করে দেখিয়েছি”, রামলীলা ময়দানে ভিড় নিয়ে উচ্ছ্বসিত ডেরেক

Bengal Liberty : ভারতের নয়াদিল্লির রামলীলা ময়দানে রবিবার জনসভা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়ে গেল তুমুল বিতর্ক। তৃণমূল কংগ্রেস সংসদ সদস্য ডেরেক ও’ব্রায়েন অত্যন্ত ইতিবাচক ও উচ্ছ্বসিত প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, সভাস্থলের ভেতরে যত মানুষ উপস্থিত ছিলেন, তার চেয়ে অন্তত ২০ গুণ বেশি মানুষ ময়দানের বাইরে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছিলেন। রামলীলা ময়দানে সম্পূর্ণভাবে সাধারণ মানুষ এবং কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতিতে তিল ধারণের জায়গা ছিল না। ভিড়ের একটি ভিডিও ও ছবি শেয়ার করে ক্যাপশনে তিনি লেখেন, “আমরা এটি করে দেখিয়েছি, ব্রো। ইন্ডিয়া (I.N.D.I.A)”।

তবে এই জনসভা সফল না ব্যর্থ, বিরোধীদের দাবি অনুযায়ী ভিড় আসল না নকল, তা নিয়েই বিতর্কে নামল বিরোধী। এদিন ‘ইন্ডি জোটের সমাবেশকে ‘সুপার ফ্লপ’ বলে কটাক্ষ করেছে ভারতীয় জনতা পার্টি। ভারতের শাসকদল বিজেপি ভিড় নিয়ে প্রশ্নই শুধু তোলেনি, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু অভিযোগ করেছেন, নকল ভিড় দেখাতে কংগ্রেস নেতৃত্ব কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) সাহায্য নিয়েছে। এই দাবি জানিয়ে কংগ্রেস নেতাদের পাঠানো জমায়েতের ছবি দেখিয়ে কটাক্ষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি লিখেছেন, ভিড় দেখাতে এআইয়ের ব্যবহারটাও তারা ঠিকঠাক করতে পারেনি।

বিজেপি মুখপাত্র সম্বিত পাত্রও ভিড়ের দাবি নিয়ে মুখ খুলেছেন। তিনি বলেন, কংগ্রেস বলেছিল ১০ লাখ লোক আনবে। অথচ এসেছে বড়জোর ২৮ হাজার। রাহুল গান্ধীকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি বিজেপি মুখপাত্র সম্বিত পাত্র। তাঁর মন্তব্য, এসব ছবি তোলার কারসাজি। কারসাজি করে কেউ প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন না। বিজেপির জাতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা অভিযোগ করেন যে, গণতন্ত্রের প্রতি সম্মান জানাতে এই সমাবেশ করা হচ্ছে না; বরং গণতন্ত্রের নামে দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টির একটি সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র এটি। যদিও এইসব কটাক্ষ ও বিতর্কিত ছবি নিয়ে কংগ্রেস কোনও মন্তব্য করেনি। বিক্ষোভ সমাবেশে ভিড় না হওয়ার দাবিও মানেনি। রাহুল গান্ধী বরং ড্রোন মারফত বিপুল জমায়েতের ভিডিও পোস্ট করেছেন।

Pushpak Bhattacharya
পুষ্পক ভট্টাচার্য

পুষ্পক ভট্টাচার্য একজন সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মী। রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করার পর ২০২৬-এ Bengal Liberty-তে সাংবাদিক হিসেবে তাঁর পেশাগত যাত্রা শুরু হয়। আন্তর্জাতিক সংবাদ এবং ক্রীড়া সাংবাদিকতার প্রতি বিশেষ আগ্রহ। দেশ-বিদেশের সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ, আন্তর্জাতিক রাজনীতি এবং খেলাধুলার নানা বিষযয়ের প্রতি বিশেষ ঝোঁক। ব্যস্ততার বাইরে বই ও সিনেমা সঙ্গী।