Bengal Liberty: উত্তরাখণ্ডের মন্দিরনগরী বদ্রীনাথ থেকে পাঁচজন যাত্রীকে নিয়ে রওনা হয় একটি হেলিকপ্টার। উত্তরাখন্ডের চামোলির কাছে ভেঙ্গে পড়ে হেলিকপ্টারটি বলে জানা গিয়েছে। ‘ট্রান্স ভারত এভিয়েশন’-এর পরিচালনাধীন এই হেলিকপ্টারটি এদিন দুপুর ১-১৪ মিনিট নাগাদ দেরাদুনের সাহাসত্রাধারা থেকে জোশিমঠের উদ্দেশ্যে বিমানটি রওনা হয়। খারাপ আবহাওয়ার জেরে কপ্টারটি বিপদে পড়ে।
জোশিমঠ উপত্যকার ওপর দিয়ে যখন যাচ্ছিল, তখনই সমস্ত যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে এবং ট্র্যাকিং ব্যবস্থাও কাজ করেনি। পরবর্তীতে ওই এলাকায় হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হওয়ার খবর পাওয়া যায় এবং এরপরই সেখানে উদ্ধার অভিযান শুরু করা হয়। হেলিকপ্টারে থাকা ৬ জন বেঁচে নেই বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। পাইলটের নাম হিমাংশু বলে শনাক্ত করা হয়েছে। এছাড়া বিমানে থাকা পাঁচ যাত্রী হলেন—প্রতাপ, অরুণ, শঙ্কর গৌড়া, সুধীর কে এবং এইচ এস নটরাজ। তাঁদের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনও পাওয়া যায়নি।
দুর্ঘটনাগ্রস্ত হেলিকপ্টারের ধ্বংসাবশেষ খুঁজে বের করার জন্য আরও দুটি হেলিকপ্টার মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি ভারতীয় সেনাবাহিনী, চামোলি জেলা প্রশাসন এবং স্টেট ডিজাস্টার রেসপন্স ফোর্সের (এসডিআরএফ) দলগুলোকে প্রস্তুত করে দুর্ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। উত্তরাখণ্ড সিভিল এভিয়েশন ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (ইউসিএডিএ)-এর সিইও প্রতীক জৈন জানিয়েছেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পরই হেলিকপ্টারটিকে উড়ানের জন্য অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে ‘ট্রান্স ভারত এভিয়েশন’-এর সমস্ত হেলিকপ্টারের উড়ান আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে।
আরও খবর
উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি জোশিমঠ এলাকার চায়ী গ্রামের কাছে হেলিকপ্টার দুর্ঘটনার সংবাদ নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন যে, জেলা প্রশাসন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগ এবং এসডিআরএফ যৌথভাবে উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে। ধামি বলেন, তিনি পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছেন এবং গুরুতর আহত যাত্রীদের চিকিৎসার জন্য দ্রুত আকাশপথে উন্নত চিকিৎসা কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন।


