SIT Investigation in Indranil Case with Avery Sen Summoned for Questioning
SIT Investigation in Indranil Case with Avery Sen Summoned for Questioning

বুধবার ফের তলব আভেরি সেনকে, ইন্দ্রনীল-কাণ্ডে SIT-এর সদস্য সংখ্যা বাড়িয়ে ৯

ইন্দ্রনীল সেন-কাণ্ডের তদন্তে আরও তৎপর কলকাতা পুলিশ। তদন্তের গভীরে পৌঁছতে বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT)-এর সদস্য সংখ্যা ৪ থেকে বাড়িয়ে ৯ করা হল। অন্যদিকে, প্রাক্তন মন্ত্রীর কন্যা আভেরি সেন পরপর দু’দিন, সোমবার ও মঙ্গলবার, শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে লালবাজারে হাজিরা এড়িয়েছেন। বুধবার দুপুর ২টোয় তাঁকে ফের তলব করেছে লালবাজার।

লালবাজার সূত্রে খবর, আভেরি সেনের দুটি সংস্থা আইএস্কেপ ও মায়রার অ্যাকাউন্টেও ইন্দ্রনীল সেনের সংস্থার টাকা জমা পড়ার প্রাথমিক তথ্য মিলেছে। ওই আর্থিক লেনদেনের উৎস ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে জানতে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চান গোয়েন্দারা। সেই কারণেই বুধবার ফের তাঁকে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

গত বুধবার গ্রেফতার হয়েছেন ইন্দ্রনীল সেন। এবার তাঁর বিরুদ্ধে মেইনটেন্যান্স অফ পাবলিক অর্ডার অ্যাক্ট (এমপিও)-এর ২ ও ৯ নম্বর ধারা যুক্ত করার আবেদন জানিয়েছে লালবাজারের গোয়েন্দা বিভাগ। তদন্তকারীদের দাবি, দুর্গাপুজোর টিকিট বিক্রির নামে বেআইনিভাবে বিপুল পরিমাণ অর্থ সংগ্রহ করে তা বিভিন্ন অ্যাকাউন্টে সরিয়ে সম্পত্তি কেনা হয়েছিল। বেআইনিভাবে অর্থ ও সম্পত্তি অর্জনের অভিযোগকে সংশোধিত আইনের ২ নম্বর ধারার আওতায় আনার আবেদন করেছে লালবাজার। অন্যদিকে, ৯ নম্বর ধারায় এই ধরনের অপরাধের শাস্তির বিধান রয়েছে। সংশোধিত আইনে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এর আগে প্রতারণা, জালিয়াতি ও অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের মতো ধারায় মামলা রুজু হয়েছিল। ওই ধারাগুলিতে সর্বোচ্চ সাত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।

এদিকে, তদন্তে ইন্দ্রনীল সেনের পরিবারের সদস্যদের ভূমিকাও খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা। গত শনিবার তাঁর স্ত্রী মধুছন্দা সেনের বয়ান রেকর্ড করা হয়। প্রাক্তন মন্ত্রী ও তাঁর স্ত্রীকে মুখোমুখি বসিয়েও জিজ্ঞাসাবাদ করেন তদন্তকারীরা। সূত্রের দাবি, দু’জনের বক্তব্যে একাধিক অসঙ্গতি সামনে এসেছে। সেই অসঙ্গতিগুলি খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা।

পাশাপাশি, ইন্দ্রনীল সেন যখন পর্যটনমন্ত্রী ছিলেন, সেই সময় ওই দফতরের একাধিক আধিকারিকের সঙ্গেও যোগাযোগ করেছেন তদন্তকারীরা। ইন্দ্রনীল সেন দফতর ছাড়ার সময়কার নথি এবং আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত তথ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে ইউনেস্কোকেও দ্বিতীয়বার চিঠি পাঠিয়েছে কলকাতা পুলিশ। ওই চিঠির মাধ্যমে কী কী তথ্য চাওয়া হয়েছে, তা অবশ্য এখনও স্পষ্ট নয়।

Soham Mullick
সোহম মল্লিক

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতি নিয়ে পড়াশোনা। ডিজিটাল মাধ্যমেই সাংবাদিকতার জগতে হাতেখড়ি। বর্তমানে Bengal Liberty-র কার্যনির্বাহী সম্পাদক হিসাবে গুরুদায়িত্ব সামলাচ্ছে। খেলাধুলা নিয়ে বিশেষ আগ্রহ। পাশাপাশি, সব ধরনের খবরের খোঁজে কাটে রাত-দিন। অভিজ্ঞদের থেকে প্রতিনিয়ত শেখার আগ্রহ রয়েছে। কাজের বাইরে নেশা বলতে, সঙ্গীত চর্চা এবং ড্রামস বাজানো।