Bengal Liberty: বিদ্রোহী সাংসদদের সাংসদ পদ খারিজের দাবিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের চিঠির জবাব দিতে ফের সময় চাইলেন তৃণমূলত্যাগী ২০ সাংসদ। এই নিয়ে পঞ্চমবারের জন্য সময় চেয়ে লোকসভার স্পিকারকে চিঠি দিলেন তাঁরা। এখনও পর্যন্ত নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে স্পিকারের নোটিসের জবাব দিতে পারেননি NCPI-র সাংসদরা। কখনও এক মাস, কখনও তিন সপ্তাহ—এ ভাবেই বারবার সময় চেয়ে আসছেন তাঁরা। এ বারও আরও তিন সপ্তাহ সময় চেয়ে আবেদন করেছেন বিদ্রোহী সাংসদেরা।
জানা যাচ্ছে, মঙ্গলবার বিকেল থেকে সন্ধ্যা, এমনকী রাত পর্যন্ত একে একে ই-মেলের মাধ্যমে লোকসভা সচিবালয়ের কাছে নিজেদের আবেদন পাঠিয়েছেন ২০ জন সাংসদ। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদার-সহ তৃণমূল ছেড়ে NCPI-তে যোগ দেওয়া সাংসদেরা। এ বার সময় চাওয়ার কারণ হিসেবে কালীপুজো, ছটপুজো-সহ উৎসবের মরশুমের কথা উল্লেখ করেছেন তাঁরা।
উল্লেখ্য, তৃণমূলত্যাগী সাংসদদের বিরুদ্ধে দলত্যাগবিরোধী আইনে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে লোকসভার স্পিকারের কাছে চিঠি দিয়েছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ওই সাংসদদের সাংসদ পদ খারিজের দাবিও জানানো হয়েছিল। সেই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট সাংসদদের নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করতে নোটিস পাঠিয়েছিলেন লোকসভার স্পিকার। কিন্তু এখনও পর্যন্ত সেই নোটিসের জবাব জমা দিতে পারেননি ২০ জন সাংসদ।
আরও খবর
এর আগে চারবার সময় চেয়েছিলেন সংশ্লিষ্ট সাংসদেরা। এ বার পঞ্চমবারের জন্য ফের সময় চাওয়ায় রাজনৈতিক মহলে জল্পনা বেড়েছে। সূত্রের খবর, বর্ষীয়ান সাংসদদের একাংশের পরামর্শ, কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকের পরেই নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থান সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারেন তাঁরা। সেই সিদ্ধান্ত স্পষ্ট না হওয়া পর্যন্ত জবাব জমা দেওয়ার ক্ষেত্রেও সময় চাইতে পারেন সংশ্লিষ্ট সাংসদেরা। ফলে পঞ্চমবারের এই সময়ের আবেদন ঘিরে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।


