Bengal Liberty: “হেরোরা ভোট করতে দিতে চায় না, আমরা চাই ভোট হোক। কারণ ভোট হলেই মানুষ পরিষেবা পাবেন।” আহিরিটলার কালীপুজোর মঞ্চ থেকে পুরভোট নিয়ে বিরোধীদের নিশানা করে এমনই মন্তব্য করলেন মুখ্যমন্ত্রী তথা পুলিশমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার কালীপুজোর উদ্বোধন করতে গিয়ে সরাসরি পুরভোটের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন তিনি। তাঁর দাবি, কলকাতার মানুষের কাছে নাগরিক পরিষেবা পৌঁছে দিতে প্রতিটি ওয়ার্ডে নির্বাচিত কাউন্সিলর থাকা জরুরি।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “বিধায়ক বা সাংসদদের পক্ষে প্রতিদিন প্রতিটি ওয়ার্ডের সমস্যার দিকে নজর রাখা সম্ভব নয়। কোথাও পানীয় জলের সমস্যা হচ্ছে কি না, রাস্তা পরিষ্কার থাকছে কি না, সন্ধ্যায় স্ট্রিট লাইট জ্বলছে কি না—এই বিষয়গুলি দেখভালের দায়িত্ব কাউন্সিলরের। বিধায়করা অনেকটা অলংকারের মতো।” নিত্যদিনের নাগরিক পরিষেবা নিশ্চিত করতে কাউন্সিলরদের বিকল্প নেই বলেও জানান তিনি। তবে পুরভোট আটকে থাকলেও পরিষেবা বন্ধ রাখা হবে না। প্রয়োজনে প্রতিটি ওয়ার্ডে কো-অর্ডিনেটর নিয়োগ করে পরিষেবা চালু রাখার পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন তিনি।
উল্লেখ্য, কলকাতা পুরভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা নিয়ে সম্প্রতি কলকাতা হাইকোর্টের রায়ে স্থগিতাদেশ তৈরি হয়েছে। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার ইঙ্গিত আগেই দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। এ দিনও সেই প্রসঙ্গ টেনে বিরোধীদের বিরুদ্ধে ভোট আটকানোর অভিযোগ তোলেন তিনি।
আরও খবর
একই মঞ্চ থেকে বিগত সরকারের আমলে নিয়োগ জটিলতা নিয়েও সরব হন শুভেন্দু। তাঁর অভিযোগ, এক দিকে ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতি, অন্য দিকে আদালতের মামলায় আটকে ছিল নিয়োগ প্রক্রিয়া। তাঁর দাবি, বর্তমান সরকার ধীরে ধীরে সেই জট খুলছে। বাংলার শিক্ষিত যুবক-যুবতীদের চাকরি এবং রাজ্যে শিল্প ও ব্যবসার পরিবেশ ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে কাজ চলছে। পাশাপাশি তোলাবাজি, সিন্ডিকেট-রাজ এবং কাটমানি বন্ধ করে শৃঙ্খলাবদ্ধ বাংলা গড়ার বার্তাও দেন তিনি।


