West Bengal coal scam
Bengal Liberty Desk , ১৯ জানুয়ারি, কলকাতা : কয়লা পাচার মামলার (Coal smuggling case) তদন্তে আরও সক্রিয় হল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। তদন্তের প্রয়োজনে কয়লা ব্যবসার (Coal smuggling case) সঙ্গে যুক্ত আরও সাতজনকে তলব করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা (Central Investigation Agency)। জানা গেছে, পাচার হওয়া কয়লার অর্থ কোথায় কোথায় গিয়েছে এবং এর সঙ্গে কোনও প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বের যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতেই এই জিজ্ঞাসাবাদ।

কয়লা পাচার মামলার তদন্তে সক্রিয় ইডি (Coal smuggling case)
ইতিমধ্যেই এই মামলায় একাধিক কয়লা ব্যবসায়ীকে (Coal smuggling case) জেরা করেছেন ইডি আধিকারিকরা। সেই সূত্র ধরেই নতুন করে আরও কয়েকজনের নাম উঠে আসে। সব মিলিয়ে এই মামলায় এখনও পর্যন্ত মোট ১৫ জনকে তলব করেছে ইডি (Coal smuggling case)। তবে শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গ নয় এর পাশাপাশি গত নভেম্বর মাসে ঝাড়খণ্ডের (Jharkhand) একাধিক জায়গায় ইডির (Coal smuggling case) তরফে অভিযান চালানো হয়। দুই রাজ্যের ৪০টিরও বেশি ঠিকানায় একযোগে অভিযান চালানো হয়। সেই অভিযানে বিপুল পরিমাণ নথি উদ্ধার হয়। পাশাপাশি কয়েক কোটি টাকা, গয়না এবং প্রচুর পরিমাণ বেআইনি কয়লাও (Illegal coal) (Coal smuggling case) বাজেয়াপ্ত করা হয় বলে ইডি সূত্রে খবর।

উল্লেখ্য, দিল্লির একটি পুরনো কয়লা পাচার(Coal smuggling case) মামলার তদন্তে সম্প্রতি আইপ্যাক (I-PAC) সংস্থার কর্তা প্রতীক জৈনের (Pratik Jain) বাড়ি এবং সল্টলেকে আইপ্যাকের অফিসে তল্লাশি চালায় ইডি। সেই সময় প্রতীক জৈনের বাড়ি ও পরে সল্টলেকের অফিসে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। তদন্তের নামে দলের নথি ছিনতাইয়ের অভিযোগ তুলে ইডির বিরুদ্ধে সরব হন তিনি। ঘটনাটি প্রথমে কলকাতা হাই কোর্ট, পরে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গড়ায়।

