Bengal Liberty Desk, কলকাতা:
ঝলমলে পর্দা থেকে সরাসরি রাজনীতির উচ্চশিখরে। কোয়েল মল্লিক এবার কেবল অভিনেত্রী নয়, রাজনীতির খেলোয়াড়ও। সিনেমার জনপ্রিয়তা, রাজনৈতিক ঘনিষ্ঠতা, আর ভবানীপুর থেকে দিল্লি সব মিলিয়ে তিনি তৈরি করছেন এক নতুন সমীকরণ। তবে প্রশ্ন শুধু একটাই এটি কেরিয়ার রক্ষার কৌশল, নাকি বৃহত্তর রাজনৈতিক মিশনের সূচনা?

সিনেমার গ্ল্যামার পেরিয়ে রাজ্যসভায় Koel Mallick Rajya Sabha
সম্প্রতি ভবানীপুরে উন্নয়নের পাঁচালী নিয়ে অভিনেতা রঞ্জিত মল্লিকের বাড়িতে পৌঁছে ছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, সেটি নিছক সৌজন্য সাক্ষাৎ ছিল না বরং ছিল সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার ইঙ্গিত। আবার অন্যদিকে, প্রযোজক নিষ্পাল সিং–কে বরাবরই দেখা গিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বলয়ে। রাজ্য সরকারের একাধিক অনুষ্ঠানে কোয়েলের নিয়মিত উপস্থিতিও কারও অজানা নয়। ফলে তৃণমূলের তরফে তাঁকে রাজ্যসভায় পাঠানোর সিদ্ধান্তে ‘অপ্রত্যাশিত’ তকমা দেওয়ার সুযোগ খুব একটা থাকছে না বলেই মত রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের।

টলিউড–রাজনীতি মেলবন্ধন Koel Mallick Rajya Sabha
অভিনেত্রী কোয়েল কী সচেতনভাবেই রাজ্যসভা বেছে নিলেন? বিধানসভা ভোটে সরাসরি লড়াইয়ের ঝুঁকি না নিয়ে, দিল্লির উচ্চশিখরে জায়গা করে নেওয়া কি তুলনামূলকভাবে নিরাপদ রাজনৈতিক ইনিংস? তবে একাংশের দাবি, সক্রিয় নির্বাচনী রাজনীতিতে নামলে অভিনয় কেরিয়ার চাপে পড়তে পারত। রাজ্যসভা হলে সাংসদ পরিচয় থাকবে, আবার সিনেমার কাজও চালিয়ে যাওয়া সম্ভব এই হিসেবেই কী কৌশল?
আরও খবর
রাজনীতি ও টলিউডের এই মেলবন্ধন এখন নতুন অধ্যায়ে। কোয়েলের পদক্ষেপ কেরিয়ার রক্ষার কৌশল, না কি বৃহত্তর রাজনৈতিক ভূমিকার সূচনা তা সময়ের অপেক্ষা।


