Primary Tet
Primary Tet

Primary Tet : টেট পাসে মিলল আরও এক বছরের ছাড়, সুপ্রিম নির্দেশে স্বস্তিতে দেশের ৩০ লক্ষ প্রাথমিক শিক্ষক

Bengal Liberty,২৯ মে :

চাকরি হারানোর খাঁড়া ঝুলছিল মাথার উপর! দীর্ঘ টানাপোড়েন আর অনিশ্চয়তার ঘন মেঘ সরিয়ে অবশেষে দেশের লক্ষ লক্ষ অপ্রশিক্ষিত ও কর্মরত প্রাথমিক শিক্ষকদের জন্য এল বড়সড় ‘সুপ্রিম’ স্বস্তি (Primary Tet)। শিক্ষকতা করতে হলে টেট পরীক্ষা পাশ করা বাধ্যতামূলক, শীর্ষ আদালতের এই কড়া বার্তার পর থেকেই রাতের ঘুম উড়েছিল দেশের অগণিত কর্মরত প্রাথমিক শিক্ষকের। তবে এবার সেই কড়াকড়িতেই মিলল কিছুটা ছাড়। শুক্রবার সুপ্রিম কোর্টের এক নির্দেশে কর্মরত শিক্ষকদের টেট পাশের সময়সীমা আরও এক বছর বাড়িয়ে দেওয়া হলো। ফলে এখনই চাকরি খোয়ানোর যে অশনি সংকেত দেখা দিয়েছিল, তা থেকে সাময়িক স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন শিক্ষক মহল (Primary Tet)।

Primary Tet
Primary Tet

শীর্ষ আদালতের রায় ও নয়া ডেডলাইন (Primary Tet)

শুক্রবার সুপ্রিম কোর্টে এই সংক্রান্ত একটি রায়ের রিভিউ পিটিশন বা পুনর্বিবেচনার শুনানি ছিল। সেই শুনানিতেই বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত এক তাৎপর্যপূর্ণ নির্দেশ দেন। শীর্ষ আদালতের পূর্ববর্তী নির্দেশিকা অনুযায়ী, কর্মরত সকল প্রাথমিক শিক্ষককে ২০২৭ সালের ৩১ আগস্টের মধ্যে টেট উত্তীর্ণ হতে হতো, অন্যথায় তাঁদের চাকরি থেকে বরখাস্ত হওয়ার সম্ভাবনা ছিল। কিন্তু শুক্রবারের শুনানির পর সেই ডেডলাইন এক বছর বৃদ্ধি করা হয়েছে। নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, চাকরি বাঁচাতে আগামী ২০২৮ সালের ৩১ আগস্টের মধ্যে কর্মরত শিক্ষকদের টেট পাশ করতেই হবে।

প্রবীণ শিক্ষকদের জন্য বিশেষ ছাড় (Primary Tet)

তবে এই কড়া নির্দেশের পাশাপাশি প্রবীণ শিক্ষকদের জন্য একটি আলাদা সিদ্ধান্তও নিয়েছে শীর্ষ আদালত। যে সকল কর্মরত প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরির মেয়াদ আর মাত্র ৫ বছর বা তার কম বাকি রয়েছে, তাঁদের জন্য এই টেট পাশের নির্দেশিকা প্রযোজ্য হবে না। অর্থাৎ, অবসরের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে থাকা শিক্ষকদের আর নতুন করে টেট পরীক্ষার প্রস্তুতির কঠিন ঝক্কি পোহাতে হবে না।

Primary Tet
Primary Tet

কেন এই নির্দেশিকা? (Primary Tet)

আইন অনুযায়ী, দেশের যেকোনো প্রাথমিক স্কুলে শিক্ষকতা করার জন্য ন্যূনতম যোগ্যতা হিসেবে টেট পাশ করা একেবারে বাধ্যতামূলক। যোগ্যতাসম্পন্ন ও প্রশিক্ষিত শিক্ষকরাই যাতে দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ভিত শক্ত হাতে গড়তে পারেন, তা নিশ্চিত করতেই এই নিয়ম। কিন্তু সরকারি পরিসংখ্যান এক ভয়াবহ তথ্য তুলে ধরেছে। জানা গেছে, এই মুহূর্তে গোটা দেশে প্রায় ৩০ লক্ষেরও বেশি কর্মরত প্রাথমিক শিক্ষক রয়েছেন, যাঁরা এখনও পর্যন্ত টেট উত্তীর্ণ নন। এই বিপুল সংখ্যক শিক্ষকের ভবিষ্যৎ এবং দেশের প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থার পরিকাঠামো নিয়েই তৈরি হয়েছিল বড়সড় প্রশ্ন।

সুপ্রিম কোর্টের এই নয়া রায়তে একদিকে যেমন শিক্ষার মানোন্নয়নে কোনও আপস করা হয়নি, অন্যদিকে তেমনি লক্ষ লক্ষ কর্মরত শিক্ষকের রুটিরুজির কথা মাথায় রেখে তাঁদের প্রস্তুতির জন্য অতিরিক্ত সময় বরাদ্দ করেছে আদালত। ২০২৮ সালের ৩১ আগস্ট পর্যন্ত পাওয়া এই অতিরিক্ত এক বছরের মেয়াদ শিক্ষকদের কাছে এখন কার্যত ‘লাইফলাইন’। তবে স্বস্তির পাশাপাশি এই রায় যেন এক কড়া বার্তাও দিয়ে গেল, শিক্ষকতার মানদণ্ডে উত্তীর্ণ না হলে আগামী দিনে রেহাই মিলবে না কারোরই।

Advertisement
Advertisement

আরও পড়ুন :

Illegal Construction : সীমান্তে ১৫ কিলোমিটার কোনও নির্মাণ নয়, সাফ নির্দেশ অমিত শাহের

Bengal liberty
Bengal liberty

Bengal Liberty is a platform dedicated to guerrilla, unfiltered, and independent journalism. Through YouTube, its official website, and various social media channels, Bengal Liberty seeks to present citizen journalism to the public with integrity and transparency. Editor: Bittu Roy Chowdhury