Bengal Liberty : মহারাষ্ট্রের ভিওয়ান্ডিতে টানা ভারী বৃষ্টির মধ্যেই ভয়াবহ দুর্ঘটনা (Building Collapse)। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টা নাগাদ বালাজি নগর এলাকার চারতলা কোহিনূর ভবনের একাংশ আচমকাই ধসে পড়ে। ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৭ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। এক কিশোরকে জীবিত উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও কয়েকজন আটকে থাকার আশঙ্কা করা হচ্ছে। এনডিআরএফ, দমকল, পুলিশ ও পুরসভার যৌথ বাহিনী যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে (Building Collapse)।

চলছে জোরকদমে উদ্ধার অভিযান (Building Collapse)
বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টা নাগাদ ভিওয়ান্ডির বালাজি নগর এলাকার চারতলা কোহিনূর ভবনের একাংশ ধসে পড়ে। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় দমকল, স্থানীয় পুলিশ এবং এনডিআরএফের দল। উদ্ধারকাজে নামানো হয়েছে ডগ স্কোয়াড, দমকলের চারটি ইঞ্জিন, দুটি অ্যাম্বুলেন্স এবং ভারী যন্ত্রপাতি।প্রথমে একজনের মৃত্যুর খবর মিললেও, রাতভর উদ্ধার অভিযানে ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে আরও মৃতদেহ উদ্ধার হয়। শুক্রবার সকাল পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৭-এ পৌঁছেছে। এক কিশোরকে জীবিত উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এখনও ২-৩ জন ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আগেই ‘বিপজ্জনক’ ঘোষণা করা হয়েছিল ভবনটি (Building Collapse)
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, কোহিনূর ভবনে মোট ৪৮টি ঘর ছিল। ভবনটিকে আগেই ‘ক্যাটাগরি সি’ বা অত্যন্ত বিপজ্জনক ও জরাজীর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছিল মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন। বাসিন্দাদের ভবন খালি করার নোটিশও দেওয়া হয়েছিল। অধিকাংশ বাসিন্দা সেখান থেকে চলে গেলেও, মেরামতির কাজ চলাকালীন একটি পরিবার ভবনের ভিতরেই ছিল। সেই সময় কয়েকজন শ্রমিকও কাজ করছিলেন। আচমকাই ভবনের একাংশ ধসে পড়ায় তাঁরা ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েন। ভিওয়ান্ডির মেয়র নারায়ণ চৌধুরী জানিয়েছেন, আটকে পড়া সকলকে দ্রুত উদ্ধার করাই এখন প্রশাসনের প্রধান লক্ষ্য। পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে বসবাস না করার জন্য সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার আবেদনও জানিয়েছেন তিনি।
আরও খবর

আরও পড়ুন :
https://bengalliberty.com/2026/07/31/ed-raid-8/


