Bengal Liberty: আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হলো ‘ট্রাম্প গোল্ড কার্ড’ ইমিগ্রেশন প্ল্যান (Trump Gold Card)। আমেরিকায় স্থায়ী ভাবে বসবাস করতে ইচ্ছুক ব্যক্তিরা এ বার থেকে ‘ট্রাম্প গোল্ড কার্ড’ বা ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন। এই ভিসার কথা আগেই ঘোষণা হয়েছিল ঠিকই তবে বুধবার ওই ভিসা কার্যকর করল মার্কিন প্রশাসন। একই দিনে লঞ্চ করা হয়েছে ‘ট্রাম্প গোল্ড কার্ড’-এর আলাদা ওয়েবসাইট, যেখানে অনলাইনে আবেদন গ্রহণও শুরু হয়ে গেছে। ভিসা অনুমোদনের প্রক্রিয়া হবে দ্রুত, তবে আবেদনকারীদের প্রতিটি ধাপে গুনতে হবে মোটা অঙ্কের ফি। ট্রাম্প জানান, ‘গোল্ড কার্ড’ এত দিন ধরে চালু থাকা গ্রিন কার্ড ভিসার মতোই। তবে ‘গোল্ড কার্ডে’ আরও অনেক অতিরিক্ত সুবিধা পাওয়া যাবে
কত টাকা খরচ করতে হবে আবেদনকারীকে? (Gold Card visa)
‘গোল্ড কার্ডের সুবিধা পেতে আবেদনকারীকে গুনতে হবে মোটা অঙ্কের টাকা। ১০ লক্ষ মার্কিন ডলার (ভারতীয় মুদ্রায় ৮ কোটি ৮০ লক্ষ টাকারও বেশি)। তবে ট্রাম্প জানিয়েছেন কোনও কোম্পানি এক বা একাধিক বিদেশি কর্মী নিয়োগ দিতে চাইলে দিতে হবে ২০ লক্ষ মার্কিন ডলার (ভারতীয় মুদ্রায় ১৭ কোটি ৬১ লক্ষ টাকার বেশি)। ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসার জন্য আবেদন করতে হলে প্রথমে আবেদনকারীকে ‘প্রসেসিং ফি ‘ বাবদ জমা দিতে হবে ১৫ হাজার ডলার (ভারতীয় মুদ্রায় ১৩ লক্ষ ৪৮ হাজার ৪৯৯ টাকা)। আমেরিকার অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার দায়িত্বপ্রাপ্ত ‘হোমল্যান্ড সিকিয়োরিটি’ দফতরকে এই টাকা দিতে হবে। তবে,আবেদন বাতিল হলেও এই টাকা ফেরত দেওয়া হবে না। প্রয়োজনীয় নথি জমা এবং ফি দেওয়ার পর দ্রুত প্রক্রিয়া শুরু হবে। যাচাই শেষে আবেদনকারীকে দিতে হবে ১০ লক্ষ মার্কিন ডলার। আবেদনকারীর প্রোফাইল অনুযায়ী অতিরিক্ত কিছু ফিও ধার্য হতে পারে।
অপরদিকে, কোনও কোম্পানি এক বা একাধিক বিদেশি কর্মী নিয়োগ দিতে চাইলে এই ভিসায় আবেদন করতে হবে। প্রতি কর্মীর জন্য ১৫,০০০ ডলার প্রসেসিং ফি নির্ধারিত। যাচাই শেষে দিতে হবে ২০ লক্ষ মার্কিন ডলার—যা ব্যক্তিগত গোল্ড কার্ডের দ্বিগুণ। তবে কোম্পানি চাইলে আগের স্পনসরশিপ বাতিল করে একই টাকায় নতুন কর্মীকে স্পনসর করতে পারবে, অতিরিক্ত ২০ লক্ষ ডলার দিতে হবে না।
হোয়াইট হাউসের ব্যাখ্যা, আবেদনকারী যে আদতে আমেরিকার উপকারই করবেন, ওই ‘উপহার’ই তার প্রমাণ হিসাবে গণ্য হবে।
বুধবার থেকেই গোল্ড কার্ড ভিসার জন্য আবেদন করা যাচ্ছে। ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসার সূচনা করে ট্রাম্প জানান, ‘গোল্ড কার্ড’ এত দিন ধরে চালু থাকা গ্রিন কার্ড ভিসার মতোই। তবে ‘গোল্ড কার্ডে’ আরও অনেক অতিরিক্ত সুবিধা পাওয়া যাবে বলে জানান তিনি।


