Bengal Liberty, ২৩ মার্চ ২০২৬ :
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আঁচ ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে (India security meeting)। এই যুদ্ধ কবে শেষ হবে তার কোনো সঠিক উত্তর কোনো রাষ্ট্রের কাছেই নেই। এরই মধ্যে রবিবার ২২ মার্চ গুরুত্বপূর্ণ কেবিনেট বৈঠক সারলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মূলত নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়কে কেন্দ্র করেই আলোচনা হয়। তার সঙ্গে দেশে পর্যাপ্ত গ্যাস, তেল, কয়লা যেন সর্বদা প্রস্তুত রাখা হয় এবং যুদ্ধের আঁচ যেন সাধারণ মানুষের জীবনে না পৌঁছায় সে দিকেও নজর রাখছে কেন্দ্রীয় সরকার।

নিরাপত্তা বৈঠক India security meeting
নিরাপত্তা সংক্রান্ত বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর, অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন সহ আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্বের সদস্য।
মূলত দেশের নিরাপত্তার উপর আরও কড়া নজর রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। পাশাপাশি, যারা যুদ্ধ পরিস্থিতিতে এখনও আটকে আছেন সেই ভারতীয়দের দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়েও জোর দেওয়া হয়েছে। এছাড়া নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র মজুত রাখার উপরেও গুরুত্ব দিয়েছে মোদি সরকার। কেবিনেট বৈঠকের পরেই নিজের X হ্যান্ডেলে পোস্ট করেন নরেন্দ্র মোদি।
আরও খবর

মোদির টুইট :
” মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে দীর্ঘ কেবিনেট বৈঠক সম্পন্ন হয়েছে। এই বৈঠকে ছোট-বড় সব ধরনের পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখার কথা বলা হয়েছে। কৃষক, সাধারণ মানুষ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার উপর আরও জোর দিতে হবে। নাগরিক সুরক্ষার উপর বাড়তি নজর দেওয়া প্রয়োজন এবং স্বল্প, মাঝারি ও দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে “।
জরুরি সিদ্ধান্ত :
কেবিনেট বৈঠকে উঠে এসেছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বিদ্যুৎ ব্যবস্থার দিকে বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে, যাতে প্ল্যান্টগুলিতে বিদ্যুতের কোনো ঘাটতি বা সংকট দেখা না দেয়। এছাড়া পেট্রোকেমিক্যাল, কেমিক্যাল, ওষুধ ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র নিয়েও আলোচনা হয়েছে।
সারের সরবরাহ বজায় রাখার কথাও বলা হয়েছে, যাতে খাদ্য সংকট না দেখা দেয়। ভবিষ্যতের জন্য বিকল্প পদ্ধতি নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে। পাশাপাশি পর্যাপ্ত গ্যাস ও তেল ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়ার উপরেও জোর দেওয়া হয়েছে। মিটিং শেষে বেশ কয়েকটি ইতিবাচক দিক উঠে এসেছে।
যেখানে বিরোধীরা শুধুমাত্র কুৎসা ও হিংসার রাজনীতিতে ব্যস্ত, অপরদিকে নরেন্দ্র মোদির কেন্দ্রীয় সরকার মানুষের পাশে দাঁড়াতে সর্বদা প্রস্তুত। এবার দেখার, আর কী নতুন পরিকল্পনা তৈরি করতে চলেছেন নরেন্দ্র মোদির সরকার।


