Bengal Liberty
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে উদ্দেশ্য করে আপত্তিকর মন্তব্য করার অভিযোগে ১৫ বছরের এক কিশোরীর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া এফআইআর প্রত্যাহার করেছিল দিল্লি পুলিশ Narendra Modi। ঘটনার পর কিশোরী সমাজমাধ্যমে একটি ভিডিও প্রকাশ করে নিজের মন্তব্যের জন্য নিঃশর্ত ক্ষমা চায়। সে জানিয়েছিল, এটি তার জীবনের ‘প্রথম এবং শেষ ভুল’। একই সঙ্গে কিশোরীর মা প্রশাসন ও সরকারের কাছে এফআইআর প্রত্যাহারের আবেদন জানান। তাঁর দাবি, এই ঘটনার পর থেকে তাঁদের পরিবার চরম মানসিক চাপের মধ্যে ছিল।

ক্ষমার পরও মিলছে না স্বস্তি
কিশোরীর মায়ের বক্তব্য, দু’দিন আগে তিনি তাঁর ১৫ বছরের মেয়েকে নিয়ে নয়ডার বাড়ি ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হয়েছেন। তাঁর দাবি, এছাড়া আর কোনো উপায় ছিল না। কারণ, প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্যের অভিযোগে তাঁর মেয়েকে ঘিরে তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি হয়। এরপর থেকেই পুলিশ এবং অচেনা লোকজন বারবার তাঁদের বাড়িতে আসতে শুরু করে। কিশোরীর মায়ের দাবি, তাঁর মেয়ে নিজের ভুলের জন্য ক্ষমা চেয়েছে এবং প্রধানমন্ত্রীও তাকে ক্ষমা করে দিয়েছেন; তবুও তাঁদের পরিবারকে লাগাতার হয়রানির মুখে পড়তে হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, “আমি একাই আমার মেয়েকে মানুষ করছি। ২০১৯ সালে একটি দুর্ঘটনায় আমার স্বামীর মৃত্যু হয়। আমার ছোট ছেলে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের কাছে থাকে। ঘটনার পর থেকে বারবার পুলিশসহ একাধিক লোক আমাদের বাড়িতে আসছে। এই পরিস্থিতির মধ্যে আমরা কীভাবে স্বাভাবিকভাবে বসবাস করব?” উল্লেখ্য, কিশোরীর মন্তব্যটি সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর তাকে খুন ও ধর্ষণের হুমকিও দেওয়া হয়। প্রথমে নয়ডা পুলিশ একটি ‘জিরো এফআইআর’ দায়ের করে এবং পরবর্তী সময়ে মামলাটি দিল্লি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। তবে ক্ষমা চেয়ে কিশোরী স্পষ্ট জানিয়েছে, বিক্ষোভে উপস্থিত অন্যদের মাধ্যমে প্রভাবিত হয়েই সে ওই মন্তব্য করে ফেলেছিল।


