Bengal Liberty: ভোটের প্রচারে গিয়েছিলেন বিজেপি প্রার্থী হয়ে। শুনেছিলেন এক বৃদ্ধার অভাব অভিযোগ। ক্ষমতায় এসে কথা রাখলেন সিউড়ির বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। বৃদ্ধা জানিয়েছিলেন, নিয়মিত মিলছে না বার্ধক্য ভাতা। সেদিন প্রার্থীর মাথায় হাত রেখে আশীর্বাদও করেছিলেন তিনি। বলেছিলেন, জগন্নাথ যেন জয়ী হন। সময় বদলেছে। রাজ্যে পালাবদলের পর সেই জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়ই এখন রাজ্যের উচ্চশিক্ষামন্ত্রী। আর এবার সেই বৃদ্ধার খোঁজ নিলেন তিনি।

বৃদ্ধার অভিযোগ ছিল, আগে তৃণমূল সরকারের সময়ে দুমাস বা তিন মাস অন্তর কখনও এক হাজার, কখনও দু-হাজার টাকা অ্যাকাউন্টে ঢুকত। তাতে সংসার চালানো কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়েছিল। কিন্তু বর্তমানে পাঁচ হাজার টাকা পেয়ে যথেষ্ট খুশি তিনি। বৃদ্ধার কথায়, “সেদিন আমি ওঁকে সব বলেছিলাম। উনি মাথা নিচু করে সব শুনেছিলেন। এখন পাঁচ হাজার টাকা পেয়েছি। খুব খুশি হয়েছি।”
ভোটের প্রচারের সেই দিনের স্মৃতিও ভোলেননি বৃদ্ধা। স্থানীয়দের দাবি ওই বৃদ্ধার ছেলে তৃণমূলের বুথ সভাপতি ছিলেন। তার পরেও নিজের ক্ষোভের কথা জানিয়েছিলেন সাহসের সঙ্গে। ক্ষমতায় এসে সেই কথা রেখেছেন নতুন বিধায়ক। এতে খুশি ওই বৃদ্ধা সহ এলাকার মানুষ।
আরও খবর
অন্যদিকে, জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়ের বক্তব্য, ভোটের প্রচারে গিয়ে ওই বৃদ্ধার অভাব-অভিযোগ শুনেছিলেন তিনি। বার্ধক্য ভাতা নিয়ে তাঁর সমস্যার কথা জানার পর বিষয়টি খতিয়ে দেখার প্রয়োজন অনুভব করি। সেই সূত্রেই বৃদ্ধার খোঁজ নেওয়া। এই সরকার মানুষের সরকার।
এদিকে আলোর উৎসব দীপাবলির আগে অ্যাকাউন্টে বকেয়া টাকা পেয়ে বৃদ্ধা মুখে প্রাপ্তির হাসি। তাঁর কাছে এই প্রাপ্তি যেন উৎসবের আগাম উপহার।


