Bengal Liberty: সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশকে কেন্দ্র করে নতুন করে চর্চায় বীরভূমের পাথর ব্যবসায়ী টুলু মণ্ডলের মামলা। আগামী ১৭ নভেম্বর থেকে ৫ ডিসেম্বরের মধ্যে টুলু মণ্ডলকে কলকাতায় ফিরতে হবে বলে জানিয়েছেন সিউড়ি আদালতের আইনজীবী রাফেউল হক। পাশাপাশি, সিউড়ি আদালতে তাঁকে সশরীরে হাজিরা দিতে হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
উল্লেখ্য, টুলু মণ্ডল মামলায় ধৃতদের হয়ে আদালতে সওয়াল করছেন আইনজীবী রাফেউল হক। তাঁর বক্তব্য, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যেই টুলু মণ্ডলকে কলকাতায় ফিরতে হবে এবং সিউড়ি আদালতে হাজির হতে হবে। এই নির্দেশ ঘিরে মামলার পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে নজর রয়েছে সংশ্লিষ্ট মহলের।
অন্যদিকে, দু’দিন আগে অবসরপ্রাপ্ত ডেপুটি ডিএলআরও রবিউল ইসলামকে পুলিশি হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ নিয়েও সিউড়ি আদালতের এসিজেএম আদালতের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন রাফেউল হক। তাঁর দাবি, মামলাটি ইতিমধ্যেই জেলা দায়রা আদালতে স্থানান্তরিত হয়েছে। ফলে এই পরিস্থিতিতে এসিজেএম আদালতের আর কোনও এক্তিয়ার নেই ধৃত প্রাক্তন ভূমি দপ্তরের আধিকারিককে পুলিশি হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়ার।
আরও খবর
আইনজীবীর এই বক্তব্যকে ঘিরে বিচারিক এক্তিয়ার এবং মামলার প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। মামলাটি জেলা দায়রা আদালতে স্থানান্তরের পরেও কীভাবে পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হল, সেই প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।
এখন টুলু মণ্ডলের আদালতে হাজিরা এবং রবিউল ইসলামের পুলিশি হেফাজত সংক্রান্ত আইনি বিতর্ক—দুই বিষয়েই পরবর্তী আদালতের পদক্ষেপের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে আইনজীবী রাফেউল হকের বক্তব্য তাঁর নিজস্ব আইনি অবস্থান; এ বিষয়ে আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তই হবে নির্ণায়ক।


