Bengal Liberty: বিক্ষুব্ধ বিধায়কদের বিধায়ক পদ খারিজের দাবিতে ফের ধাক্কা খেল মমতা তৃণমূল। শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের আবেদনে সাড়া দিল না সুপ্রিম কোর্ট। সরাসরি কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হওয়ার পরামর্শ দিল শীর্ষ আদালত। ফলে বিক্ষুব্ধ বিধায়কদের সদস্যপদ খারিজের দাবিতে তৃণমূলের আইনি লড়াই নতুন মোড় নিল।
উল্লেখ্য, দলের ১০ বিধায়কের সদস্যপদ খারিজের দাবিতে বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্র বসুকে চিঠি লিখেছিলেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। গত ৮ জুলাই ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ সংশ্লিষ্ট বিধায়কদের বিরুদ্ধে দলত্যাগের অভিযোগ তুলে তাঁদের বিধায়ক পদ খারিজের আবেদন জানিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে স্পিকারের ভূমিকা এবং পরবর্তী সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় মমতা তৃণমূল।
বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চে মামলাটি ওঠে। সেখানে ২০২০ সালে সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া একটি নির্দেশের প্রসঙ্গ উঠে আসে। শীর্ষ আদালত জানায়, কোনও বিধায়কের সদস্যপদ খারিজের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সাংবিধানিক ক্ষমতা স্পিকারের হাতেই রয়েছে। তবে সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য স্পিকারকে যুক্তিসঙ্গত সময় দিতে হবে। সাধারণত তিন মাসের মধ্যে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।
আরও খবর
সেই হিসাব অনুযায়ী, ৮ জুলাই আবেদন জমা পড়লে ৮ অক্টোবরের মধ্যে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা ছিল। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই শোভনদেবের আবেদন খারিজ করেন স্পিকার। জানা গিয়েছে, প্রক্রিয়াগত ত্রুটির কারণ দেখিয়েই দলত্যাগ সংক্রান্ত অভিযোগের ভিত্তিতে করা আবেদন খারিজ করা হয়েছিল।
এর পরেই স্পিকারের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় তৃণমূল। কিন্তু শীর্ষ আদালত সরাসরি হস্তক্ষেপ না করে আবেদনকারী পক্ষকে কলকাতা হাই কোর্টে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে। ফলে বিক্ষুব্ধ বিধায়কদের সদস্যপদ খারিজের দাবি ঘিরে তৃণমূলের আইনি লড়াই আপাতত কলকাতা হাই কোর্টের দিকে গড়াল।


