Manchester City VS Ipswich Town Review
Manchester City VS Ipswich Town Review

শেষ মুহূর্তে চাপ, তবুও জয় সিটির! হালান্ডের জোড়া গোলে ইপসউইচকে ৩-২ হারাল ম্যান সিটি

Bengal Liberty : পাঁচ গোলের রুদ্ধশ্বাস লড়াই! শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত টানটান উত্তেজনা, একের পর এক আক্রমণ আর গোলের লড়াই। শেষ পর্যন্ত ইপসউইচ টাউনকে ৩-২ গোলে হারিয়ে প্রিমিয়ার লিগে নিজেদের জয়ের ধারা অব্যাহত রাখল ম্যানচেস্টার সিটি। সিটির হয়ে জোড়া গোল করলেন আর্লিং হালান্ড। অন্যদিকে একটি করে গোল ফিল ফোডেন এবং ইপসউইচের দাইজেন মায়েদা ও জিয়ান ফ্লেমিংয়ের।

শুরুতেই ফোডেনের গোল, পাল্টা জবাব ইপসউইচের

ম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখল নিজেদের হাতে রেখে আক্রমণে ঝড় তোলার চেষ্টা করে ম্যানচেস্টার সিটি। তবে ইপসউইচের রক্ষণ ভাঙতে প্রথম দিকে কিছুটা সমস্যায় পড়তে হয় তাদের। অবশেষে ১৯ মিনিটে জেরেমি ডোকুর পাস থেকে গোল করে সিটিকে এগিয়ে দেন ফিল ফোডেন। কিন্তু সেই আনন্দ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। মাত্র দু’মিনিটের ব্যবধানে, ২১ মিনিটে গোল করে ইপসউইচকে সমতায় ফেরান দাইজেন মায়েদা। ফলে ম্যাচে ফেরে উত্তেজনা।

সমতা ফেরার পর ফের আক্রমণের ঝাঁঝ বাড়ায় পেপ গুয়ার্দিওলার দল। ম্যাচের ৩৪ মিনিটে মাতেও কোভাচিচের ক্রস থেকে হেডে গোল করে সিটিকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন আর্লিং হালান্ড। প্রথমার্ধে আর গোল না হওয়ায় এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় ম্যানচেস্টার সিটি। দ্বিতীয়ার্ধেও আক্রমণের ধার বজায় রাখে সিটি। ৬৯ মিনিটে ইলিমান দিয়ার পাস থেকে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করে দলের ব্যবধান বাড়িয়ে ৩-১ করেন হালান্ড। নরওয়ের তারকার দুরন্ত ফিনিশিংয়ে জয়ের দিকে আরও একধাপ এগিয়ে যায় সিটি।

এই জয়ের ফলে প্রিমিয়ার লিগে মরশুমের প্রথম সাতটি ম্যাচেই জয় পেল ম্যানচেস্টার সিটি। পাশাপাশি ক্লাবের নতুন কোচ এনজো মারেস্কা প্রথম ম্যানেজার হিসেবে প্রিমিয়ার লিগে কোনও ক্লাবের দায়িত্ব নিয়ে প্রথম সাতটি ম্যাচেই জয়ের নজির গড়লেন। ফলে ইপসউইচের বিরুদ্ধে এই জয় শুধু তিন পয়েন্ট নয়, সিটির জন্য এক ঐতিহাসিক সাফল্যও।

Pushpak Bhattacharya
পুষ্পক ভট্টাচার্য

পুষ্পক ভট্টাচার্য একজন সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মী। রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করার পর ২০২৬-এ Bengal Liberty-তে সাংবাদিক হিসেবে তাঁর পেশাগত যাত্রা শুরু হয়। আন্তর্জাতিক সংবাদ এবং ক্রীড়া সাংবাদিকতার প্রতি বিশেষ আগ্রহ। দেশ-বিদেশের সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ, আন্তর্জাতিক রাজনীতি এবং খেলাধুলার নানা বিষযয়ের প্রতি বিশেষ ঝোঁক। ব্যস্ততার বাইরে বই ও সিনেমা সঙ্গী।