Bengal Liberty
মহানগরে কোন এলাকায়(Kolkata Police)কোন ধরনের অপরাধ বেশি ঘটছে, এবার তার খতিয়ান তৈরি করবে কলকাতা পুলিশ। ছিনতাই, লুঠ, পকেটমারি-সহ সড়ক-অপরাধের প্রবণতা বিশ্লেষণ করে নির্দিষ্ট ‘ক্রাইম হটস্পট’ চিহ্নিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে লালবাজারের তরফে। কলকাতা পুলিশের সাম্প্রতিক ক্রাইম বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে শুধু হটস্পট চিহ্নিত করাই নয়, সংশ্লিষ্ট এলাকায় অপরাধ কমাতে কী ধরনের পদক্ষেপ প্রয়োজন, তার রূপরেখাও তৈরি করতে বলা হয়েছে।

পাঁচটি জায়গা চিহ্নিত(Kolkata Police)
পুলিশ সূত্রে খবর, প্রতিটি ধরনের অপরাধের জন্য পাঁচটি করে অপরাধপ্রবণ এলাকা বাছাই করা হবে। অতীতে ঘটে যাওয়া অপরাধের তথ্য, সংশ্লিষ্ট থানার রেকর্ড এবং বিভিন্ন পুলিশ বিভাগের রিপোর্ট বিশ্লেষণ করেই তৈরি হবে এই তালিকা। তালিকা চূড়ান্ত হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলিতে বাড়ানো হবে পুলিশি নজরদারি।

লালবাজারের নজরে রয়েছে বড়বাজার-পোস্তার মতো বাণিজ্যিক এলাকা, যেখানে বিপুল আর্থিক লেনদেনের কারণে ছিনতাই ও লুটের ঝুঁকি রয়েছে। পার্ক স্ট্রিট, পার্ক সার্কাস, একবালপুর, ওয়াটগঞ্জ, পোর্ট এলাকা-সহ একাধিক জায়গাতেও অপরাধের ধরন ও প্রবণতা খতিয়ে দেখা হবে। পাশাপাশি ভবানীপুর, গড়িয়াহাট, নিউ মার্কেটের মতো ভিড়ভাট্টা এলাকায় পকেটমারি ও চুরির ঘটনাগুলিও বিশ্লেষণের আওতায় আসছে।
আরও খবর
হটস্পট এলাকায় সিসিটিভি(Kolkata Police)
হটস্পট নির্ধারণের পর সেখানে সিসিটিভি নজরদারি, নাকা চেকিং এবং সাদা পোশাকের পুলিশ মোতায়েনের মতো ব্যবস্থা আরও জোরদার করার পরিকল্পনা রয়েছে। স্থানীয় থানাগুলিকে পুরনো দাগি অপরাধী ও জামিনে থাকা অভিযুক্তদের তথ্য সংগ্রহ করে পৃথক তালিকা তৈরির নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
মাদক বিরোধী সচেতনতা(Kolkata Police)
অপরাধ দমনের পাশাপাশি মাদকবিরোধী সচেতনতা তৈরিতেও জোর দিয়েছে লালবাজার। নারকোটিকসের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে প্রয়োজনীয় কর্মসূচি নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।পুলিশের লক্ষ্য, সামগ্রিক পরিসংখ্যানের বদলে অপরাধের ধরন ও নির্দিষ্ট এলাকার প্রবণতা ধরে ব্যবস্থা নেওয়া। ফলে কোন এলাকায় কী ধরনের অপরাধ বেশি হচ্ছে, তা চিহ্নিত করে সেই অনুযায়ী প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ নেওয়াই এখন কলকাতা পুলিশের অন্যতম অগ্রাধিকার।



