Bengal Liberty: ১৯৯৩ সালের ২১ জুলাইয়ের রাইটার্স অভিযান এবং সেই সংক্রান্ত সুশান্ত চট্টোপাধ্যায় কমিশনের রিপোর্ট জনসমক্ষে আনলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। দীর্ঘ সময় ধরে ধামাচাপা পড়ে থাকা এই রিপোর্ট প্রকাশের পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ভুক্তভোগী পরিবারগুলি চাইলে নতুন করে এফআইআর করতে পারবে এবং তারা চাইলে ক্ষতিপূরণের আবেদনও করতে পারে।

রিপোর্টের প্রেক্ষিতে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য (21st July 1993)
বিধানসভায় দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, ১৯৯৩ সালে তৎকালীন সরকারের ভূমিকার নিরপেক্ষতা নিয়ে বড় প্রশ্ন রয়েছে। তাঁর অভিযোগ, মণীশ গুপ্তের নির্দেশেই সেদিন গুলি চালানো হয়েছিল এবং তাঁকে আড়াল করতেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার নথি প্রকাশ করেনি। এমনকি কমিশনের সুপারিশও তৎকালীন সরকার মানেনি বলে দাবি মুখ্যমন্ত্রীর।
শহীদ পরিবারের প্রতিক্রিয়া (21st July 1993)
এই ঘটনায় হুগলির শহীদ অসীম দাসের দাদা দিলীপ দাসের প্রতিক্রিয়া প্রকাশ্যে এসেছে। অসীম দাস সেদিনের ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছিলেন। দিলীপবাবু জানান, মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার প্রেক্ষিতে তাড়াহুড়ো করে নতুন কোনো অভিযোগ বা ক্ষতিপূরণের আবেদন করার পরিকল্পনা তাঁদের নেই।
আরও খবর

তিনি বলেন, “পরিবারের সদস্যদের সাথে আলোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। অতীতে যিনি মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা আছে, আবার বর্তমান মুখ্যমন্ত্রীকেও আমি ভালোবাসি। নতুন করে আর কাউকে দোষীর কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে চাই না।” নিজের বর্তমান জীবনযাত্রার কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, সবজির ব্যবসা করে এবং অসুস্থ মায়ের দেখাশোনা করেই তাঁর দিন কাটে। দীর্ঘদিনের এই পুরনো স্মৃতিতে আজও শোকাতুর দাদা, তবে তিনি আপাতত শান্ত ও নিরপেক্ষ থাকতে চান।
দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় পর এই স্পর্শকাতর ঘটনার ফাইল ফের খোলায় রাজ্য রাজনীতিতে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। পরিবারগুলি এই নতুন সুযোগকে কীভাবে কাজে লাগায়, সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।


