Durgapur rape case
Durgapur rape case

সব শেষ! ‘সোনার বাংলা সোনার থাকুক, আমরা চলে যাচ্ছি, আর আসব না’ মন্তব্য দুর্গাপুরে ধর্ষণ কাণ্ডের নির্যাতিতার বাবার (Durgapur rape case)

Bengal Liberty: সাধ্যের বাইরে গিয়ে মেয়েকে ডাক্তার করার স্বপ্ন নিয়ে পড়শি রাজ্যে পড়তে পাঠিয়ে ছিলেন তিনি। সেই স্বপ্নই যেন নিমিষে ছারখার হয়ে গেল। চলে গেল অর্জিত সম্মানটুকুও। ধর্ষণ করে জঙ্গলে ফেলে দেওয়া হয় তাঁর মেয়েকে। মেয়ের সঙ্গে হওয়া এই অন্যায়ের বিচারের দাবি জানিয়েছেন ওই দুর্ভাগা বাবা। নৃশংস নির্যাতনের শিকার হওয়া মেয়েকে আর এ রাজ্যে রাখতে চান না তিনি। মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে নিজের রাজ্য ওড়িশায় ফিরে যাবেন, আগেই সে কথা জানিয়ে দিয়েছিলেন নির্যাতিতার বাবা। অর্থাৎ অনিশ্চিত হয়ে গেল ওই তরুণীর ডাক্তারি পড়া।

এদিন ফের সেই কথাই জানালেন দুর্গাপুর ধর্ষণকাণ্ডের নির্যাতিতার বাবা। তিনি বলেন,‘সোনার বাংলা সোনার হয়ে থাকুক। আমরা ওড়িশা চলে যাচ্ছি। আর ফিরব না।’ একইসঙ্গে বিনয়ীসুরে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশ্য বলেন, কোটি কোটি প্রণাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। কিছু ভুল করে থাকলে, ছেলে মনে করে ক্ষমা করে দেবেন। আমার মেয়েকে ন্যায় দেওয়ার চেষ্টা করবেন। এটাই অনুরোধ।’’ তাঁর এই কথা একটি পরিবারের ভেসে যাওয়ার ছবি স্পষ্ট করে।

উল্লেখ্য, এই ঘটনার ঘটার পর পরই তিনি জানিয়েছিলেন, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করার করেনি। তা নিয়ে বিশেষ ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা যায় নি নির্যাতিতার বাবাকে। এখনও তিনি পুলিশ প্রশাসনের ওপর আশ্বাস রাখছেন। মেয়ের বিচারের আশায় দিন গুনছেন।

Durgapur rape case
Durgapur rape case

পুলিশ সূত্রে খবর, (Durgapur rape case)

দুর্গাপুর গণধর্ষণ কাণ্ডের অভিযোগের এখনও ৬ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাঁদের মধ্যে একজন ধর্ষিতার ভিনধর্মী সহপাঠী। যার সঙ্গে রাতে বেরিয়ে ধর্ষণের শিকার হন ডাক্তারি ছাত্রী। নির্যাতিতার বাবার সন্দেহর তীরে প্রথম থেকেই অভিযুক্ত ওই যুবক ছিল। জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার গ্রেফতারির পর, বুধবার  অভিযুক্ত ওই যুবককে ৭ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত।

Bengal liberty
Bengal liberty

Bengal Liberty is a platform dedicated to guerrilla, unfiltered, and independent journalism. Through YouTube, its official website, and various social media channels, Bengal Liberty seeks to present citizen journalism to the public with integrity and transparency. Editor: Bittu Roy Chowdhury