Bengal Liberty : চিকিৎসা করাতে এসে রোগীদের মুখোমুখি হতে হচ্ছে চরম অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের। যত্রতত্র আবর্জনার স্তূপ। তার মধ্যেই দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ইঁদুর (Malda Medical College )। এমনকি রোগীর বেডের পাশেই বসানো হয়েছে ইঁদুর ধরার কল। মালদহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের এই ছবি সামনে আসতেই প্রশ্ন উঠেছে হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা ও রোগী নিরাপত্তা নিয়ে। সরকারি হাসপাতালের পরিকাঠামো উন্নয়নে একের পর এক পদক্ষেপের কথা বলা হলেও বাস্তব ছবিতে তার ছাপ কতটা পড়েছে, মালদহ মেডিক্যালের পরিস্থিতি যেন সেই প্রশ্নই তুলে দিল। কী বললেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী (Malda Medical College)?

আবর্জনার স্তূপেই ইঁদুরের উপদ্রব (Malda Medical College )
মালদহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল চত্বরে ইঁদুরের উপদ্রব নতুন নয়। তবে চিকিৎসাধীন রোগীদের ওয়ার্ডের কাছাকাছি এমন পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে। যেখানে রোগীদের সুস্থ হয়ে ওঠার কথা, সেখানেই দেখা যাচ্ছে অপরিচ্ছন্নতার ছবি। আবর্জনার স্তূপের আশপাশে ঘুরে বেড়াচ্ছে ইঁদুরের পাল। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয়, রোগীর বেডের একেবারে পাশেই রাখা হয়েছে ইঁদুর ধরার কল। ফলে চিকিৎসাধীন রোগীদের স্বাস্থ্য ও সংক্রমণের ঝুঁকি নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে।

সমস্যা স্বীকার স্বাস্থ্যমন্ত্রীর (Malda Medical College )
সরকারি হাসপাতালের পরিবেশ খতিয়ে দেখতে মাঝেমধ্যেই আচমকা পরিদর্শনে যাচ্ছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। বিভিন্ন হাসপাতালে কুকুর-বিড়াল ঢুকে পড়া নিয়েও এর আগে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তিনি। কিন্তু নজরদারি সত্ত্বেও মালদহ মেডিক্যালে ইঁদুরের এমন উপদ্রব নতুন করে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রীও কার্যত সমস্যার কথা স্বীকার করেছেন। তাঁর বক্তব্য, কুকুর, বিড়াল ও ইঁদুরের উপদ্রব ঠেকাতে সরকারের তরফে একাধিক চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত পুরোপুরি সাফল্য মেলেনি। কারণ হাসপাতাল ২৪ ঘণ্টা চালু থাকে। চিকিৎসা পরিষেবা বন্ধ রেখে কীটপতঙ্গ বা প্রাণীর উপদ্রব নির্মূল করার সুযোগ নেই।
আরও খবর
মন্ত্রী জানান, এই সমস্যা নিয়ে আগেও একাধিক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হয়েছে। বিভিন্ন পদক্ষেপও নেওয়া হয়েছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত স্থায়ী সমাধান মেলেনি। হাসপাতালকে পুরোপুরি ইঁদুর বা অন্যান্য প্রাণীর উপদ্রবমুক্ত করার কার্যকর উপায় খুঁজছে স্বাস্থ্য দফতর। তবে সেই সমাধান কবে মিলবে, এখন সেটাই বড় প্রশ্ন। রোগীর সুস্থতার জন্য হাসপাতালই যদি অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের কেন্দ্র হয়ে ওঠে, তাহলে পরিষেবা নিয়ে প্রশ্ন ওঠাই স্বাভাবিক-বলছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
আরও পড়ুন :
https://bengalliberty.com/2026/08/22/biman-basu-3/


