Bengal Liberty : আরজি কর-কাণ্ডে ফের বিস্ফোরক অভিযোগ নির্যাতিতার মা রত্না দেবনাথের (Ratna Debnath)। পানিহাটি পৌরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান সোমনাথ দে-কে বেঙ্গালুরু থেকে গ্রেফতারের পরই তাঁর বিরুদ্ধে একের পর এক গুরুতর অভিযোগ তুললেন তিনি। রত্না দেবনাথের দাবি, তাঁর মেয়ের দেহ দ্রুত দাহ করার ঘটনায় সোমনাথের ভূমিকা ছিল এবং ‘পুরস্কার’ হিসেবেই তাঁকে চেয়ারম্যান করা হয়েছিল। তাঁর প্রশ্ন, কার নির্দেশে মেয়ের দেহের গাড়িতে উঠেছিলেন সোমনাথ? কেন পরিবারের সম্মতি ছাড়াই এত তড়িঘড়ি দেহ দাহের ব্যবস্থা করা হয়েছিল? এই প্রশ্নগুলির উত্তর এখনও মেলেনি বলেই দাবি তাঁর (Ratna Debnath)।

মেয়েকে পুড়িয়ে দেওয়ার পুরস্কার হিসেবেই চেয়ারম্যান হয়েছিল (Ratna Debnath)
রত্না দেবনাথের অভিযোগ, তাঁর মেয়েকে পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় সোমনাথ দে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন। তাঁর কথায়, ‘‘সে তো আমার মেয়েকে পুড়িয়ে দেওয়ার জন্য প্রাইজ পেয়েছিল। প্রাইজ পোস্টিং হিসেবে চেয়ারম্যান হয়েছিল।’’ যদিও সেই সময় সোমনাথ চেয়ারম্যান ছিলেন না বলেও জানিয়েছেন তিনি।নির্যাতিতার মায়ের আরও অভিযোগ, পরিবারের হাত থেকে কার্যত ছিনিয়ে নিয়ে মেয়ের দেহ দ্রুত নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। তাঁর প্রশ্ন, ‘‘ওকে কে নির্দেশ দিয়েছিল যে আমার মেয়ের ডেড বডির গাড়িতে চড়তে? কার নির্দেশে ও দ্রুততার সঙ্গে আমার মেয়েটাকে আমার বাড়ির সামনে বেওয়ারিশ লাশের মতো ফেলে রেখেছিল?’’ এই গোটা ঘটনায় কার নির্দেশ কাজ করেছিল, তা এখনও জানা যায়নি বলেই দাবি রত্না দেবনাথের।

সোমনাথ দে-র গ্রেফতারিকে দীর্ঘদিনের দাবি পূরণের একটি ধাপ হিসেবেই দেখছেন রত্না দেবনাথ। তাঁর দাবি, ঘটনার পর থেকেই সোমনাথের গ্রেফতারের দাবি জানিয়ে আসছিল পরিবার। তদন্তকারীদের হাত থেকে বাঁচতে তিনি দীর্ঘদিন পালিয়ে বেড়াচ্ছিলেন বলেও অভিযোগ করেন রত্না। রত্না দেবনাথের দাবি, তথ্যপ্রমাণ লোপাটের সঙ্গে যারা যুক্ত, সোমনাথও তাঁদের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
আরও খবর

বেঙ্গালুরু থেকে গ্রেফতার সোমনাথ (Ratna Debnath)
দেহ দ্রুত দাহ এবং তথ্যপ্রমাণ লোপাটের অভিযোগের তদন্তে দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন পানিহাটি পৌরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান সোমনাথ দে। অবশেষে বেঙ্গালুরু থেকে তাঁকে গ্রেফতার করেছে খড়দহ থানার পুলিশ। এর আগে এই মামলায় পানিহাটির প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষ এবং প্রাক্তন কাউন্সিলর সঞ্জীব মুখার্জিকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। পরে তাঁরা জামিন পান। সোমনাথের গ্রেফতারের পর এখন তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন, আরজি করের চিকিৎসক তরুণীর দেহ দ্রুত দাহ এবং তথ্যপ্রমাণ লোপাটের ঘটনায় তাঁর ঠিক কী ভূমিকা ছিল।
আরও পড়ুন :
https://bengalliberty.com/2026/09/03/jadavpur-university-23/


