s. jaishankar
Bengal liberty: শনিবার রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনে বক্তৃতা দিতে গিয়ে বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর তাঁর ভাষণে পাকিস্তানকে একহাত নিলেন। তিনি বলেন, “সন্ত্রাসবাদ, ধর্মান্ধতা, সহিংসতা, অসহিষ্ণুতা এবং ভয়কে সংশ্লেষিত কর।”
নাম না-করেই কয়েক পাকিস্তানকে বিশ্বের সন্ত্রাসবাদের কেন্দ্রস্থল হিসেবেও চিহ্নিত করেছেন তিনি। একইসঙ্গে স্যাংশন লিস্টে পাকিস্তানি নাগরিকদের উপস্থিতির কথাও তিনি উল্লেখ করেছেন।
পহেলগাঁও হত্যা-কাণ্ডের কথা মনে করিয়ে তিনি বলেন, ‘‘সম্প্রতিককালে সীমান্তে সবচেয়ে বর্বতার উদাহরণ হ’ল এপ্রিলে পহেলগাঁওতে নিরীহ পর্যটকদের হত্যা। এই কাণ্ডের জন্য পাকিস্তান দায়ী।’’
অপারেশন সিঁদুরের উদ্দেশ্য ব্যক্ত করে তাঁর বক্তব্য, ‘‘ভারত সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে জনগণকে রক্ষা করার অধিকার প্রয়োগ করেছে। ফলে, ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে ৪ দিনের সংঘর্ষ শুরু হয়।’’

বিশ্বব্যাপী সংঘাতের দিকে ফিরে এদিন ভারতের বিদেশমন্ত্রী আরও বলেন, (s. jaishankar)
ইউক্রেন এবং গাজার যুদ্ধে যে সব দেশগুলি সরাসরি জড়িত নয়, তাদের ওপরেও চাপ তৈরি হচ্ছে। যার ফলে, বিশ্বব্যাপী জ্বালানি, খাদ্য এবং সরবরাহ শৃঙ্খল ব্যাহত হয়েছে। এই যুদ্ধকালীন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সব পক্ষকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
ভারতের পররাষ্ট্রনীতির রূপরেখা তুলে ধরে জয়শঙ্কর দাবি করেন যে, তিনটি নীতি দ্বারা পরিচালিত, আত্মনির্ভরতা, আত্মরক্ষা, এবং আত্মবিশ্বা। প্রযুক্তি, স্বাস্থ্য এবং অবকাঠামোতে ভারতের ভূমিকার দিকে ইঙ্গিত করে তাঁর ভাষণ― দেশটি ২০২৬ সালে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উপর একটি বিশ্বব্যাপী শীর্ষ সম্মেলন আয়োজন করবে। যেখানে অন্তর্ভুক্তি এবং প্রভাব হবে মূল পথপ্রদর্শক নীতি।

