Dhurandar Film villain
Bengal Liberty Desk, ৮ ডিসেম্বর, কলকাতা: ইতিমধ্যেই শুভ মুক্তি পেয়েছে রণবীর সিং অভিনীত “Dhurandhar”। যেখানে খলনায়ক এর সঞ্জয় দত্ত “চৌধুরী আসলাম” এর চরিত্রে অভিনয় করছেন
Chaudhary Aslam — করাচি পুলিশের একজন বিখ্যাত অফিসার — তাঁর সাজানো চরিত্রকে নিয়ে নতুন সিরিজ বা সিনেমা Dhurandhar-তে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যা তাঁর স্ত্রী Naureen Aslam ও পরিবারের কাছে ন্যায্য নয়।
টিজারে আনা এক সংলাপে (dialogue) তার চরিত্রকে “শয়তান ও জিন-এর সন্তান” (child of the devil and a jinn) বলা হয়েছে। এ-বিষয়টি নুরুীন হিসেবে তিনি “ইসলাম ধর্ম ও পরিবারের সম্মানে আঘাত” হিসেবে মেনে নিয়েছেন।
তার মতে, এমন চরিত্রায়ন শুধু ব্যক্তিগত অসম্মানই নয় — বরং সম্প্রদায় এবং তাঁর স্বামীর নামে মিথ্যাচারের শামিল, এবং এ জন্য তিনি আইনগত পদক্ষেপ (legal action) নেবেন বলে জানিয়েছেন।
ভুক্তভোগীর আপত্তি ও পরিবার-পরিপ্রেক্ষিত (Dhurandhar)
নুরুীন আসলম বলেন, তাঁর স্বামী ছিল “ভয়ঙ্কর অপরাধী”, “গ্যাংস্টার” বা “খুনিদের” খুঁজে ধরার কাজে নিয়োজিত — কিন্তু টিজারে তাঁর বিরুদ্ধে উত্থাপিত ভাব ও শব্দচয়ন, যা এক ধরনের “শয়তান/দুষ্ট আত্মার সন্তান” বলে উল্লেখ করেছে, সেটি মিথ্যে এবং অসম্মানজনক।

পরিবার দাবি করছে — চারুদিকের কুখ্যাত গ্যাংস্টার ও সন্দেহভাজনদের “সন্ত্রাসী” বা “জঙ্গি” হিসেবে উপস্থাপন হয়েছ, যা বাস্তবে ছিল “অপহরণ, টাকার বলি, চাঁদাবাজি” প্রভৃতি অপরাধ। তাদের মতে, চরিত্রায়ন অতিরঞ্জিত, এবং এটি শুধু ব্যক্তিগত চরিত্র নষ্ট করবে না — বরং জেমিনির বিশেষ শোষিত বা সংক্ষিপ্তভুক্ত জনগোষ্ঠীর প্রতি নেতিবাচক মনোভাবও তৈরি করতে পারে।
নুরুীন ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছেন — যদি পুরো সিনেমা দেখার পর তাঁর স্বামীর ব্যক্তিত্ব বা কাজকে নিয়েই “ভুল, কুপ্রচার বা বাজিত প্রকাশ” দেখতে পান, তাহলে তিনি সব আইনগত অধিকার প্রয়োগ করবেন।
সিনেমা ও প্রেক্ষাপট (Bollywood Film) (villain)
Dhurandhar ২০২৫ সালের একটি হিন্দি-ভাষার স্পাই একশন থ্রিলার। এতে Sanjay Dutt একটি চরিত্র হিসেবে ছিলেন — সে চরিত্র বলা হচ্ছে Chaudhary Aslam-র অনুপ্রেরণায়।
সিনেমার ট্রেলার মুক্তির পর থেকেই বিষয়টি আলোড়ন সৃষ্টি করেছে — কিছু মানুষের মতে, চলচ্চিত্র আপনিই “কাহিনী বলছে”; তবে Aslam-র পরিবার ও সমর্থকরা বলছেন, “কাহিনী বললে তো চলবে না — যদি সেটা বাস্তব ব্যক্তির নামে হয়, যা মিথ্যা ও মানহানিকর”।
নাটক এবং ভবিষ্যত
Aslam-র স্ত্রী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার আগ্রহ দেখিয়েছেন — অর্থাৎ, যদি চরিত্রায়ন বা সিনেমার কোনো অংশ তাদের দাবি অনুযায়ী “অসত্য” বা “অসম্মানজনক” পাওয়া যায়, তাহলে তারা আদালতে যাবেন।
এই ইস্যু শুধু ব্যক্তিগত বা পারিবারিক নয় — এটি দেখায়, যখন সিনেমা/ফিকশন বাস্তব জীবনের ঘটনা বা ব্যক্তির কাছ থেকে অনুপ্রেরণা নেয়, তখন “সত্যিকারের ইতিহাস, ইমেজ ও মর্যাদা” বজায় রাখার জবাবদিহি প্রাসঙ্গিক।
সারসংক্ষেপ:
নুরুীন আসলম বলছেন — তাঁর স্বামীকে যেভাবে নতুন সিনেমায় উপস্থাপন করা হয়েছে, তা “অসম্মানজনক, মিথ্যা ও সম্প্রদায়-ভাবনায় আপত্তিকর”। তিনি এখন শিকার হচ্ছেন এমন এক চরিত্রায়নের বিরুদ্ধে — যা শুধু ব্যক্তিগত কষ্ট নয়, বরং পরিবারের এবং ধর্মীয় মর্যাদার বিষয়। সিনেমার নির্মাতাদের, এবং দর্শকদের, এই দিকটি মাথায় রাখা উচিত, বিশেষ করে যখন কাজ হয় “বাস্তব” ব্যক্তির ওপর ভিত্তি করে।
