Mamata dictatorship
শুভশ্রী জানা, ২ জানুয়ারি, ২০২৬: মাননীয়ার (Mamata dictatorship) একনায়কত্ব রাজ্যের সর্বত্র বিরাজমান, সেটা কোনো সরকারি প্রকল্প হোক কিংবা বিরোধী দলের কোনো অনুষ্ঠান। ২০১১ থেকে ২০২৫ রাজ্যে যদি কোনও দূষণের নতুন ধরন এসে থাকে তাহলে তার নাম পোস্টের দূষণ কিংবা পোষ্টারের জেরে দৃশ্য দূষণ বললে খুব একটা ভুল হবে না (Mamata dictatorship)।
রাজ্যের প্রতিটা বিরোধীদলের কর্মসূচিতে বাধা নতুন কোনও কথা নয়। বাম থেকে রাম সকলেই শাসকের বাধায় জর্জরিত। বিগত কয়েক বছর ধরে দেখা গিয়েছে প্রধানমন্ত্রী সড়ক যোজনা প্রকল্পে তৈরি হওয়া রাস্তা ‘পথশ্রী’ প্রকল্পের নাম বসিয়ে দেন। রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা সঠিকভাবে চালানোর জন্য কেন্দ্র অ্যাম্বুলেন্সের টাকা দেয় ৬০% আর রাজ্য ৪০% টাকা দেয় সেখানে মাননীয়া (Mamata dictatorship) সরকারি অ্যাম্বুলেন্সে শুধু মাত্র নিজের ছবি সাটিয়েছেন। মানুষকে এটা বোঝানোর চেষ্টা করা হচ্ছে যে উনি বিনামূল্যে অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা দিচ্ছেন রাজ্যবাসীকে। ছাত্র-ছাত্রীদের স্কুল ড্রেসে বিশ্ব বাংলার লোগো দেওয়া হয়। প্রশ্ন উঠছে, ছাত্র-ছাত্রীদের স্কুল ড্রেস থেকে অ্যাম্বুলেন্স কোথাও নিজের প্রচার করতে বাদ রাখবেন না মাননীয়া (Mamata dictatorship)? সর্বত্র নিজের ছবি কিংবা দলের প্রতিকী চিহ্ন দেওয়া কি খুব দরকারি (Mamata dictatorship)?

এই প্রতিবেদন লিখতে গিয়ে চোখে পড়ল রাজ্যের বিরোধী দলনেতাকে ১০৪ বার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হতে হয়েছে। তার নেপথ্যে অবশ্যই রাজ্য সরকার (Mamata dictatorship)। বিরোধী দলনেতাকে সভা বা মিছিল করার অনুমতি না দেওয়া হলেও পরমুহুর্তেই হাই কোর্টের তরফে মিলেছে সেই অনুমতি। রাজ্যে প্রতিটি বিরোধী দলের কোনও না কোনো ক্ষতি অবশ্যই করেছে শাসক দল বিগত এক দশকে (Mamata dictatorship)। সংবিধান অনুযায়ী প্রত্যেকের অধিকার রয়েছে প্রতিবাদ জানানোর তাহলে কোন ক্ষমতার ভিত্তিতে রাজ্যের শাসকদল প্রত্যেকের মৌলিক অধিকার খর্ব করে? এই প্রশ্ন রয়েই গেল (Mamata dictatorship)।
