SIR=Carbolic Acid
Bengal Liberty: SIR বাংলাতে কার্বলিক অ্যাসিডের মতো কাজ করেছে। এর জলজ্যান্ত উদাহরণ হ’ল, বাংলাদেশ থেকে আসা পাসপোর্ট ছাড়া ‘সাপেরা’, যারা নিজের গর্ত থেকে বেরিয়ে রাতারাতি অদৃশ্য হয়ে গিয়েছেন। মাস ফিরতেই ফাঁকা হয়ে গিয়েছে রাজারহাট- নিউটাউন চত্বর। পশ্চিমবঙ্গ-বাংলাদেশ সীমান্তের জনসংখ্যা সংক্রান্ত এই আমূল পরিবর্তন স্বাভাবিক কার্বোলি অ্যাসিডের কথা মনে করিয়ে দেয়।

মালদা-মুর্শিদাবাদ, দুই দিনাজপুর সহ বীরভূমে মুসলিম সম্প্রদায়ের সংখ্যা অনেকটাই বেশি। ২০১১ এর পর থেকে ২০২৫ পর্যন্ত আনুমানিক ৩-৪% বৃদ্ধি হয়েছে সংখ্যালঘুদের হার। SIR শুরু হতেই ভারত- বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকাগুলিতে বেসরকারি জায়গায় গড়ে ওঠা বস্তি গুলি রাতারাতি ফাঁকা হয়ে যায়। পাসপোর্ট, ভিসা ছাড়া যারা এ রাজ্যে এসেছিলেন তারা লেজ গুটিয়ে নিজের দেশেও ফিরে গেছেন, তার উদাহরণ হাকিমপুর বর্ডার। তারপরেও এ রাজ্যের শাসকদল বাংলাদেশ থেকে যে অনুপ্রবেশ ঘটেছে তা মানতে নারাজ।
অনুপ্রবেশের সংখ্যা দিন-দিন বেড়ে চলেছে। তার একমাত্র উদাহরণ বাংলাদেশ সংলগ্ন এলাকাগুলোতে বাংলাদেশি মুসলমানদের সংখ্যা বৃদ্ধি। SIR লাভজনক হবে বলে আশা ছিল রাজ্যের বিরোধী দলের। নদীয়াতে বক্তব্য দিতে গিয়ে তার আভাস পাওয়া গেল বিরোধী দলনেতার বক্তব্যে। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘SIR শুরু হতেই গর্তে কার্বোলিক অ্যাসিড পড়েছে’।
আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ পাবে। তার আগে শুভেন্দুর বক্তব্য রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ

