West Bengal voter list
Bengal Lliberty Desk, ১৯ জানুয়ারি, কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধন (SIR)(Form 7 submission) চলাকালীন ফর্ম ৭ (Form 7) জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল বিজেপির অভিযোগ (Form 7 submission) , রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের নির্বাচনী আধিকারিকরা আইন মেনে ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার জন্য জমা দেওয়া ফর্ম ৭ গ্রহণ করতে অস্বীকার করছেন। এই বিষয়ে অবিলম্বে পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য বিজেপি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের(Form 7 submission) (CEO) কাছে একটি চিঠি দিয়েছে আজ।

অভিযোগের মূল বিষয় (Form 7 submission)
ফর্ম গ্রহণে অনীহা বিজেপির অভিযোগ, যোগ্য ভোটাররা(Form 7 submission) যখন ERO/AERO এবং জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের(Form 7 submission)(DEO) কাছে ফর্ম ৭ জমা দিতে যাচ্ছেন, তখন কর্মকর্তারা হয় অফিস ছেড়ে চলে যাচ্ছেন, নয়তো প্রশাসনিক ব্যস্ততার(Form 7 submission) অজুহাত দিচ্ছেন, অথবা সোজাসুজি ফর্ম নিতে অস্বীকার করছেন। বাঁকুড়া, মালদা, চুঁচুড়ার মতো একাধিক জায়গায় এই ধরনের ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গিয়েছে।
কমিশনের নির্দেশিকার অবমাননা(Form 7 submission)
নির্বাচন কমিশন (ECI) স্পষ্ট জানিয়েছিল যে, আইন অনুযায়ী একজন ভোটার তার নির্বাচনী (Form 7 submission) এলাকায় যত খুশি ফর্ম ৭ জমা দিতে পারেন, এর সংখ্যায় কোনো বিধিনিষেধ নেই। যদিও পাঁচটির বেশি ফর্ম জমা দিলে ERO ব্যক্তিগতভাবে তা যাচাই করবেন। কিন্তু রাজ্যের আধিকারিকরা এই নির্দেশিকা(Form 7 submission) মানছেন না বলে অভিযোগ।
সময়সীমা বাড়ানোর দাবি(Form 7 submission)
জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে বাধার কারণে, বিজেপি ফর্ম জমা(Form 7 submission) দেওয়ার শেষ তারিখ অন্তত এক সপ্তাহ বাড়ানোর অনুরোধ করেছে। পাল্টা অভিযোগ তৃণমূলের। এই বিতর্কে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) পাল্টা অভিযোগ তুলেছে। তৃণমূলের দাবি, বিজেপি কর্মীরা হাজার হাজার ভুয়ো ফর্ম ৭(Form 7 submission) জমা দিয়ে বৈধ ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার ষড়যন্ত্র করছে। এই অভিযোগের ভিত্তিতে রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে রাজনৈতিক(Form 7 submission) সংঘর্ষও হয়েছে আজ দিনভর।
এদিকে, ECI ইতিমধ্যেই ফর্ম জমা দেওয়ার শেষ সময়সীমা ১৯শে জানুয়ারি পর্যন্ত বাড়িয়েছে। এই পরিস্থিতিতে এখন প্রশ্ন উঠছে যে সুষ্ঠুভাবে সম্পূর্ণ ভোটার তালিকা সংশোধনের (Form 7 submission) কাজ শেষ হবে কিনা এবং সাধারণ মানুষ নির্বিঘ্নে তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে পারবে কিনা।

