Tamil Nadu VS Kerala
Bengal Liberty, ২০ জানুয়ারি :
তামিলনাড়ু ( Tamil Nadu) ও কেরল (Kerala)—দু’টি রাজ্যেই মঙ্গলবার বিধানসভার অধিবেশন শুরু হতেই ফের প্রকাশ্যে এল রাজ্য সরকার (State Government) ও রাজ্যপালের (Governor) সংঘাত। দুই রাজ্যেই ক্ষমতায় রয়েছে বিজেপিবিরোধী সরকার। মঙ্গলবার অধিবেশন ঘিরে দুই রাজ্যেই ফের জোরালো হল রাজ্য এবং রাজ্যপালের সংঘাত। একই দিনে দক্ষিণের দুই রাজ্যেই বিধানসভা অধিবেশন শুরু হল রাজ্য সরকার ও রাজ্যপালের টানাপড়েনের মধ্য দিয়েই।

তামিলনাড়ু বিধানসভার অধিবেশনে সংঘাত(State Government and Governor Conflict)
তামিলনাড়ুতে অধিবেশন শুরুর সময় রাজ্য সঙ্গীত পরিবেশন হলেও জাতীয় সঙ্গীত বাজানো হয়নি। এই নিয়েই ক্ষোভ প্রকাশ করেন রাজ্যপাল আরএন রবি (RN Ravi)। তাঁর অভিযোগ, রাজ্য সঙ্গীতের পাশাপাশি জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করা উচিত ছিল। তা না করায় জাতীয় সঙ্গীতের অবমাননা করা হয়েছে। এ কথা জানিয়ে লিখিত ভাষণ পাঠ না করেই বেরিয়ে যান তিনি। পরে তামিলনাড়ুর রাজভবনের তরফে একটি বিবৃতি প্রকাশ করে জানানো হয়, ভাষণ দেওয়ার সময় বার বার রাজ্যপালের মাইক্রোফোন বন্ধ করা হচ্ছিল এবং এমকে (MK Stalin) স্ট্যালিনের সরকার তাঁকে যে ভাষণ পাঠ করতে দিয়েছিল তা বিভ্রান্তিকর ও ভিত্তিহীন। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের গুরুত্বপূর্ণ সমস্যাগুলি ভাষণ থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল বলেও অভিযোগ করা হয়।
এই অভিযোগের পাল্টা ডিএমকে প্রধান তথা তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী স্ট্যালিনের (MK Stalin) বলেন, রাজ্যপালের এই আচরণ তামিলনাড়ু বিধানসভার শতাব্দীপ্রাচীন ঐতিহ্যকে অপমান করেছে। তাঁর দাবি, সরকার রাজ্যপালের কোনও অসম্মান করেনি, বরং রাজ্যপালই সাধারণ মানুষের প্রতি সম্মান দেখাননি।

কেরলে বিধানসভার অধিবেশনে বিতর্ক(State Government and Governor Conflict)
কেরলেও একই দিনে অধিবেশন ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়। এদিন পিনরাই বিজয়নদের (Pinarayi Vijayan) সরকারের লিখে দেওয়া ভাষণ পাঠ করেন রাজ্যপাল অর্লেকর (Arlekar)। তবে, মুখ্যমন্ত্রী পিনরাই বিজয়নের অভিযোগ—ভাষণের দু’টি গুরুত্বপূর্ণ অংশ তিনি ইচ্ছাকৃত ভাবে এড়িয়ে যান। ওই অংশে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে আর্থিক বঞ্চনার অভিযোগ এবং রাজ্য বিধানসভায় পাশ হওয়া বিল দীর্ঘদিন আটকে থাকার প্রসঙ্গ ছিল। স্পিকার এএন শামসি জানান, অতীতে যে উদাহরণগুলি রয়েছে তা আনুষ্ঠানিক ভাবে কোনও স্বীকৃতি পায়নি। এ বারও রাজ্যপালের পাঠ করা ওই ভাষণে স্বীকৃতি দেওয়া হবে না।

