6800 listed companies shut in Bengal
Bengal Liberty, Kolkata:
মমতা আমলে ৬৮০০ লিস্টেড কোম্পানি বন্ধ: ভূপেন্দ্র
শিল্প আনা তো দূর অস্ত। অর্থ ও পরিকাঠামোর অভাবে একের পর লিস্টেড কোম্পানি বন্ধ হচ্ছে। যার সংখ্যাটাও নেহাত কম নয়। প্রায় ৬৮০০ লিস্টেড কোম্পানি এই মুহূর্তে বন্ধ বাংলায়(6800 listed companies shut in Bengal)। বুধের সাংবাদিক সম্মেলনে এমন তথ্য পেশ করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব।
তিনি বলেন, ‘১০ হাজার কোটি টাকার MSME গ্রোথ ফান্ড হিসেবে দেওয়া হবে। যা ভারতকে আরও আত্মনির্ভর গড়ে তুলবে। তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শাসন কালে ৬৮০০ লিস্টেড কোম্পানি বন্ধ হয়েছে। MSME সেক্টরের অবস্থাও তথৈবচ। কাজেই এই ঘোষণার ফলে পশ্চিমবঙ্গের MSME ক্ষেত্রে লাভ হবে।’

কিন্তু কীভাবে?
মূলত, জুট সেক্টরের ক্ষেত্রে বিশেষ ঘোষণা করা হয়েছে। দেশের মোট জুটের ৮০ শতাংশই পশ্চিমবঙ্গে উৎপাদিত হয়(6800 listed companies shut in Bengal)। ফলে ২.৫ লক্ষ মানুষের সরাসরি কর্মসংস্থান হয়। পাশাপাশি জুট টেকনোলজিতেও উন্নতি করা হবে। কেন্দ্রীয় বাজেটে তার উল্লেখও আছে।
বিশেষভাবে টেক্সটাইল, উদ্যোগ, কৌশল বিকাশের ক্ষেত্রে গতি পাবে। গ্রামীণ ক্ষেত্র থেকে মহিলারা শহরে আসেন পড়াশোনা, কাজের জন্য। তাঁদের কথা মাথায় রেখে প্রতি জেলায় এবার বালিকা ছাত্রাবাস তৈরি হবে। এই বাজেটে মহিলা ক্ষমতায়নের কথা বলা হয়েছে।
বিস্তারিত দেখুন এই লিঙ্কে ক্লিক করে। Link: https://t.co/AzYlitOYvf#bengalliberty @AITCofficial @BJP4India @MamataOfficial @SuvenduWB pic.twitter.com/5etccDbAgL
— Bengal Liberty (@bengalliberty1) February 11, 2026
এমনকি, আগামী ১০ বছরে বিজেপির অন্যতম বড় কাজ লাখপতি দিদি তৈরি করা(6800 listed companies shut in Bengal)। দেশজুড়ে ২ কোটি মহিলা লাখপতি দিদি হয়েছেন। সি মার্টের মাধ্যমে তাঁদের এগিয়ে যাওয়ার বিষয়ে রূপরেখা দেওয়া হয়েছে।

গত ১০ বছরে ২৫ কোটি মানুষ দারিদ্র্যসীমার ঊর্ধ্বে, দাবি কেন্দ্রীয় সরকারের
ভূপেন্দ্র বলেন, ‘গত ১০ বছরে ২৫ কোটি লোক দারিদ্র্য সীমার উপর উঠে এসেছেন। এভাবেই দেশ এগিয়ে যায়। রাস্তা, এয়ারপোর্ট, পোর্ট, ফ্রেট করিডর এবং টায়ার ২ ও ৩ শহরকে সামিল করা হয়েছে বাজেটে। ১২ লক্ষ কোটি টাকার ক্যাপ এক্স ধরা হয়েছে(6800 listed companies shut in Bengal)। বিভিন্ন পরিকাঠামোর নতুন করে সংস্কার করা হবে। পাশাপাশি নতুন বিভিন্ন ক্ষেত্র যেমন সেমি কন্ডাকটর, বায়ো ফার্মা ইত্যাদি ক্ষেত্রে বিশেষ ধ্যান দেওয়া হয়েছে। সুরাট ডানকুনি ফ্রেট করিডর হলে পণ্য পরিবহনের খরচ ৩০% কমবে। শিলিগুড়ি বেনারস করিডোরের, দুর্গাপুরের কারণে সার্বিক লজিস্টিকে সুবিধা বাড়বে।’

